আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে ঢাকা-১৪ আসনের ফলাফল স্থগিত করে পুনর্নির্বাচন দিতে নির্বাচনে কমিশনে (ইসি) আবেদন করেছেন বিএনপির প্রার্থী সানজিদা ইসলাম তুলি। আজ শুক্রবার বিকেলে তিনি ইসিতে আবেদন জানান।
এর আগে ঢাকা-১৪ আসনের দাঁড়িপাল্লার প্রার্থীর বিরুদ্ধে প্রিজাইডিং কর্মকর্তাদের টাকা দেওয়ার অভিযোগ তুলে ফলাফল বাতিল করে ওই আসনে নতুন নির্বাচনের দাবি জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন তিনি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র মাহদী আমিন।
সংবাদ সম্মেলনে তুলি অভিযোগ করে বলেন, ‘ঘোষণার পূর্বেই ফলাফল শিটে স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছে, যা সুস্পষ্টভাবে নির্বাচন বিধিমালার পরিপন্থী। প্রশাসনের নিরপেক্ষ ভূমিকার প্রত্যাশা থাকলেও বাস্তবে একাংশের অসহযোগিতা ও পক্ষপাতমূলক আচরণের অভিযোগ রয়েছে। নির্বাচনের আগের দিন রাতে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থীর বিভিন্ন কেন্দ্রে গিয়ে প্রিজাইডিং কর্মকর্তাদের সাথে আর্থিক লেনদেন এবং ভোটারদের মাঝে অর্থ বিতরণ করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এসব ঘটনার ভিডিও প্রমাণ, বিভিন্ন নিউজ ফুটেজ ওই দিন রাতেই প্রকাশ করা হয়েছিল, যা গণমাধ্যমেও এসেছে। এ ছাড়া রিপোর্ট ছাড়া রেজাল্ট শিট প্রকাশ করা হয়ে। এগুলো আমাদের কাছে আছে। আমরা আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তুলে ধরব।’
বিএনপির এই প্রার্থীর অভিযোগ, ‘পোলিং এজেন্টদের জোর করে ভোটকেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। এগুলোর শিকার যারা হয়েছে তারা এইখানে আছে। গণভোট প্রকাশে গড়িমসি ও বিলম্ব করা হয়েছে। গতকাল রাত ১২টা পর্যন্ত ঢাকা-১৪ আসনের কোনো কেন্দ্রে কত নম্বর ভোট, এইটা একদম চুপ রাখা হয়েছিল। এইটা আমাদের অনেক বড় সন্দেহের জায়গায় নিয়ে গেছে। কেন্দ্রের পূর্ণাঙ্গ ফলাফল কোনো কোনো কেন্দ্রে প্রকাশ না করেই সরাসরি নির্বাচন কমিশনে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। নির্বাচনের দিন সকাল থেকে, বিশেষ করে দুপুরের পর থেকে পোলিং এজেন্ট ও দ্বায়িত্বশীল লোকদের ওপর প্রশাসনিক লোকজন যারা এবং একটি দলের লোক দ্বারা শারীরিক নির্যাতন করা হয়েছে। এটি যেসব নেতা-কর্মীদের সাথে করা হয়েছে, তারা আছেন এখানে। এ ধরনের বর্ণনা শুধু একজন প্রার্থীর প্রতি নয় বরং গণতন্ত্রের প্রক্রিয়ার প্রতি অবিচার।’
এএন