ভারতে মাহদী হাসানের সঙ্গে থাকা নারী সম্পর্কে চাঞ্চল্যকর তথ্য

আমার সংবাদ ডেস্ক প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬, ০৮:৩০ পিএম

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক ও হবিগঞ্জ জেলা শাখার সদস্য সচিব মাহদী হাসান পর্তুগালের ভিসা নিতে ভারতের রাজধানী দিল্লিতে গিয়েছিলেন। দিল্লিতে অবস্থানের সময় তাঁর সঙ্গে এক নারী ছিলেন বলে জানা গেছে। বিবিসি বাংলার এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ওই নারী মাহদী হাসানের আত্মীয়।

গত ১৮ ফেব্রুয়ারি দিল্লি থেকে ইন্ডিগো এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে মাহদী হাসান ঢাকা পৌঁছান। বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশন পুলিশ তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। এর আগে মাহদী অভিযোগ করেছিলেন যে, ভারতে তিনি হেনস্তার শিকার হয়েছেন।

বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত মঙ্গলবার সকালে দিল্লির কনট প্লেসে একটি বেসরকারি ভিসা আবেদন কেন্দ্রে মাহদী হাসানকে দেখা যায়। তাঁর সঙ্গে থাকা নারীও পর্তুগালের ভিসার জন্য সেখানে আবেদন করতে গিয়েছিলেন। পর্তুগালের ভিসার জন্য বাংলাদেশি নাগরিকদের দিল্লিতে আসতে হয়।

জানা গেছে, মাহদী এবং তাঁর সঙ্গে থাকা নারী দিল্লির পাহাড়গঞ্জ এলাকার একটি হোটেলে উঠেছিলেন। ভিসা কেন্দ্রে অপেক্ষার সময় অজ্ঞাত এক ব্যক্তি তাঁদের ভিডিও রেকর্ড করেন। ওই ব্যক্তি মাহদী হাসানকে চিনতে পেরেছিলেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ভিডিও রেকর্ডকারী ব্যক্তি জানান, মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে মাহদী হাসানকে শনাক্ত করার পর তাঁর কাছে ভারত ও বাংলাদেশ থেকে অসংখ্য ফোন আসতে শুরু করে। একের পর এক অজানা নম্বর থেকে ফোন আসায় মাহদী হাসান বেশ আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। তিনি বুঝতে পারেন যে, কোনো সমস্যা তৈরি হয়েছে।

একটি সূত্রের দাবি, পরিচয় প্রকাশ হয়ে পড়ার পর মাহদী হাসান দিল্লির বিভিন্ন জায়গায় আশ্রয়ের সন্ধান করেন। কিন্তু কেউ তাঁকে আশ্রয় দিতে রাজি হয়নি। তিনি দিল্লি থেকেই সরাসরি পর্তুগালের রাজধানী লিসবনে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন বলে জানা গেছে।

জেএইচআর