বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, দীর্ঘ ১৬ বছর পর অবাধ নির্বাচনের মাধ্যমে যে গণতান্ত্রিক রীতিনীতি চর্চার সুযোগ পাওয়া গেছে, তা কাজে লাগাতে হবে। আমরা ক্ষমতায় থাকায় সব ক্ষেত্রে গণতান্ত্রিক পদ্ধতি অবলম্বন করার চেষ্টা করছি।
তিনি বলেন, জনগণের কাছে জবাবদিহিতার পরিবেশ নিশ্চিত করতে চেষ্টা করা হচ্ছে। আমরা বিশ্বাস করি বর্তমান সংসদের মতোই আগামীতে স্থানীয় সরকারের প্রতিটি শাখায় নির্বাচিত প্রতিনিধি পাওয়া যাবে।
শনিবার নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন ফর্ম বিক্রির দ্বিতীয় দিনের কার্যক্রমের উদ্বোধনীতে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
রিজভী জানান, শুক্রবার প্রথম দিনে পাঁচ শতাধিক ফর্ম বিক্রি হয়েছে। আজও সংগ্রহ করতে পারবেন আগ্রহীরা। জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ১২ এপ্রিল।
রিজভী বলেন, সংসদ নির্বাচনের মতই সংরক্ষিত আসনে প্রার্থী বাছাই করবে তার দল। এক্ষেত্রে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে। বিশেষ করে আন্দোলন-সংগ্রামে যাদের ভূমিকা রয়েছে, তাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
তিনি বলেন, বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের কাছে মানুষের প্রত্যাশা অনেক বেশি। কারণ আমাদের দীর্ঘ ১৬-১৭ বছর একটি ভয়ানক ও দুর্বিষহ পরিস্থিতি অতিক্রম করতে হয়েছে। তাই সে অনুযায়ীই আমরা সুস্থ ও সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে চাই।
নির্বাচন কমিশনের বেধে দেওয়া সময় অনুযায়ী আগামী ১২ মে ভোট অনুষ্ঠিত হবে। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২১ এপ্রিল। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই হবে ২২ ও ২৩ এপ্রিল। আপিল করা যাবে ২৬ এপ্রিল। আপিল নিষ্পত্তি হবে ২৭ ও ২৮ এপ্রিল। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২৯ এপ্রিল। প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে ৩০ এপ্রিল। ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১২ মে।
জাতীয় সংসদের ৩৫০ আসনের মধ্যে নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন ৫০টি। এর মধ্যে বিএনপির জন্য ৩৬টি এবং জামায়াতে ইসলামীসহ তাদের জোটের জন্য ১৩টি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জন্য একটি আসন সংরক্ষিত রাখা হয়েছে।
এম জি