জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, বিএনপি জুলাই সনদ আর জুলাই আদেশকে আলাদা করার চেষ্টা করছে। অথচ ঐকমত্য কমিশনেও তারা গণভোটের কথা মেনে নিয়েছে। এখন বিএনপি কথার বরখেলাপ করেছে। গণভোটের গণরায়কে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়েছে।
সোমবার দুপুরে রাজধানীর কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন (আইইডিবি) মিলনায়তনে ১১ দলীয় জোটের সেমিনারে কি-নোট পেপার উপস্থাপনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
‘গণভোটের রায়ের বিরুদ্ধে সরকার: সংকটের মুখোমুখি দেশ’ শীর্ষক এই সেমিনারে প্রধান অতিথির ছিলেন জামায়াতের আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। এতে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক।
বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ বলেন, আমাদের এখন যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করার কথা। জাতীয় স্বার্থ কিভাবে ঐক্যবদ্ধভাবে সুরক্ষিত করবো। হামের মতো দুর্যোগ কীভাবে মোকাবিলা করবো। জ্বালানি সংকট সমাধান নিয়ে সেমিনার করার কথা। আমাদের দুর্ভাগ্য গত ১৬ বছর যে সংস্কারের কথা বলতে হয়েছে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যে সংস্কারের আলোচনা করেছে, এখনও আমাদের সেসব নিয়ে পড়ে থাকতে হচ্ছে। জাতিকে এই দুর্যোগে টেনে এনেছে বিএনপি। ফলে বিএনপিকে এর দায়ভার এবং পরিণতি ভোগ করতে হবে। এর পরিণতি খুব সহজ হবে না।
তিনি আরও বলেন, বিএনপি জুলাই সনদ আর জুলাই আদেশকে আলাদা করে কৃত্রিম সংকট তৈরি করতে চায়। কারণ জুলাই সনদকে তারা নিজেদের দলীয় ইশতেহারে পরিণত করেছে। এজন্য গণভোটের প্রশ্ন দেখা দেয়। তবে সংবিধানের ফ্রেমওয়ার্কের মধ্যে সংবিধানের মৌলিক কাঠামো পরিবর্তন সম্ভব নয়।
নাহিদ বলেন, গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে দেশে দুইটি প্রশ্ন দেখা দেয়। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দাবি ছিল ফ্যাসিবাদের বিলোপ। আর বিএনপি চেয়েছিল নির্বাচন। আমরা সংস্কারের জন্য গণপরিষদের দাবি জানিয়েছিলাম। পরে বিএনপি সংস্কারের আলোচনায় অংশ নেয়। এজন্য আমরা গণপরিষদের পরিবর্তে সংস্কার পরিষদের দাবি মেনে নেই।
সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম, জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার ও এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমসহ ১১ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতারা
এম জি