জ্বালানি তেলের নতুন মূল্যবৃদ্ধির সরকারি সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেলমিয়া গোলাম পরওয়ার।
তিনি বলেন, নতুন নির্ধারিত দরে ডিজেল লিটারে ১৫ টাকা, কেরোসিন ১৮ টাকা, অকটেন ২০ টাকা এবং পেট্রোল ১৯ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে। এই ধরনের দাম বৃদ্ধি দেশের সামগ্রিক অর্থনীতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তি আরও বাড়াবে।
রোববার এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, জ্বালানি তেলের দাম বাড়লে পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাবে, যার সরাসরি প্রভাব পড়বে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামে। এতে খাদ্যসহ সব ধরনের পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি পাবে, ফলে মধ্যবিত্ত ও নিম্নআয়ের মানুষ সবচেয়ে বেশি চাপে পড়বে।
বিবৃতিতে তিনি সতর্ক করেন, জ্বালানি খরচ বৃদ্ধির কারণে শিল্প-কারখানার উৎপাদন ব্যয়ও বাড়বে, যা শেষ পর্যন্ত বাজারে পণ্যের দামে প্রতিফলিত হয়ে মূল্যস্ফীতি আরও বাড়াতে পারে। একই সঙ্গে কৃষি খাতেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে তিনি উল্লেখ করেন। সেচ, পরিবহন ও কৃষি উপকরণের খরচ বৃদ্ধি পাওয়ায় কৃষকের উৎপাদন ব্যয় বাড়বে, যা খাদ্য নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষ জীবনযাত্রার ব্যয় সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই অবস্থায় জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি ‘মরার ওপর খাঁড়ার ঘা’-এর মতো পরিস্থিতি তৈরি করবে।
শেষে তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানান, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে তা সহনীয় পর্যায়ে নামিয়ে আনা হোক।
এম জি