এবার ১০ কোটি টাকার হিসাব দিলেন হাসনাত আবদুল্লাহ

আমার সংবাদ ডেস্ক প্রকাশিত: জুন ১, ২০২৬, ০২:৪০ পিএম
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ। ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া

কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রশাসকের সাম্প্রতিক মন্তব্যের কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা ও কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। 

তিনি উল্লেখ করেন, রাজস্ব বাজেট ও এডিপি বরাদ্দের বুনিয়াদি তফাত না বুঝেই একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করতে এমন ভিত্তিহীন বক্তব্য দিয়েছেন। এই সমস্ত টাকা নির্দিষ্ট উন্নয়নমূলক প্রকল্পে নিয়ম মেনে খরচ করা হয়েছে, যার সাথে ব্যক্তিগত আর্থিক লেনদেনের কোনো সম্পর্ক নেই।

রোববার গভীর রাতে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজ থেকে লাইভে এসে দীর্ঘ ৪৩ মিনিটের এক ভিডিও বার্তায় দেবীদ্বারের উন্নয়ন বরাদ্দের হিসাব হাতেকলমে বুঝিয়ে দেন হাসনাত আবদুল্লাহ। তিনি স্পষ্ট করেন, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে এই বিশেষ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল, যা জেলা পরিষদের মাধ্যমেই মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়িত হয়েছে। অথচ প্রশাসক এমন এক বিভ্রান্তিকর আবহ তৈরি করেছেন যেন মনে হচ্ছে পুরো টাকাটাই আত্মসাৎ করা হয়েছে।

এনসিপির এই মুখ্য সংগঠক জানান, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে তিনি নির্বাচিত হওয়ার আগেই দেবীদ্বারের এডিপি সাধারণ, বিশেষ এবং রাজস্ব নিজস্ব তহবিল মিলিয়ে সর্বমোট ৮ কোটি ৪২ লাখ টাকার ১৪৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছিল। পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ স্বচ্ছ এবং এর যাবতীয় তথ্য সরকারি পোর্টালে উন্মুক্ত রয়েছে। ডিজিটাল মাধ্যমে যেকোনো সাধারণ নাগরিক ঘরে বসেই এই সংক্রান্ত নথিপত্র এবং কাজের অগ্রগতি যাচাই করে নিতে পারেন।

গত কয়েকদিন ধরে চলা গণমাধ্যম ট্রায়ালকে অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক আখ্যা দিয়ে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘জবাবদিহিতা’ নামক ফেসবুক পেজে তিনি নিয়মিত নিজের এলাকার সব উন্নয়ন বাজেটের হিসাব জনগণের সামনে প্রকাশ করেন। তথ্যের এই যুগে সাধারণ কোনো সত্যকে এভাবে ভিন্ন উদ্দেশ্যে সাজিয়ে প্রপাগান্ডা চালানো দুঃখজনক। যারা উদ্দেশ্যমূলকভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছেন, তাদের ন্যূনতম ইন্টারনেট ও প্রাতিষ্ঠানিক জ্ঞান থাকলে অনলাইনে সার্চ করেই সত্যটা জেনে নিতে পারতেন।

এএন