যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার মিজ সারাহ কুক।
মঙ্গলবার সচিবালয়ে প্রতিমন্ত্রীর দপ্তরে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
দ্বিপাক্ষিক এই আলোচনায় দেশে নারী ক্রীড়ার মানোন্নয়ন, যুবসমাজকে দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলা এবং দুই দেশের মধ্যে ক্রীড়া কূটনীতি আরও শক্তিশালী করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।
বৈঠকের শুরুতে ব্রিটিশ হাইকমিশনারকে স্বাগত জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ক্রীড়া কূটনীতি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে সক্ষম। তিনি জানান, খেলাধুলার প্রসারে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে এবং তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রতিভা খুঁজে বের করতে সম্প্রতি ‘নতুন কুঁড়ি’ নামে একটি দেশব্যাপী কর্মসূচি চালু হয়েছে। এই উদ্যোগের আওতায় ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী কিশোর-কিশোরীদের বাছাই করে উন্নত প্রশিক্ষণের জন্য বিকেএসপিতে পাঠানো হবে।
তিনি আরও বলেন, ক্রীড়া ও যুব উন্নয়নের মাধ্যমে দেশের সামগ্রিক ইতিবাচক পরিবর্তন আনার লক্ষ্যে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। খেলাধুলাকে সামাজিক বৈষম্য দূরীকরণের কার্যকর মাধ্যম হিসেবে উল্লেখ করে তিনি ক্রীড়া শিল্প গড়ে তুলতে কারিগরি সহায়তার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন। এ ক্ষেত্রে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি, যাতে দেশের খেলোয়াড় ও প্রশিক্ষকরা আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত হতে পারেন।
এদিকে ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক নারী ক্রীড়ার উন্নয়নে যুক্তরাজ্যের পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেন। তিনি জানান, বিশেষ করে কমনওয়েলথ গেমসকে সামনে রেখে সাঁতার, বক্সিং ও মার্শাল আর্টসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে যৌথভাবে কাজ করার সুযোগ রয়েছে। পাশাপাশি প্যারালিম্পিক গেমস সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমে সহায়তার মাধ্যমে সমাজের সর্বস্তরে অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করার বিষয়েও আগ্রহ প্রকাশ করেন তিনি।
বৈঠকটি দুই দেশের মধ্যে ক্রীড়া সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।
এম জি