রাঙ্গাবালীতে চিকিৎসা করে বাঁচতে চায় রাজ্জাক  

যে বয়সে কর্ম করে দিন কাটানোর কথা; সে বয়সে পায়ের মাংস ফুলে আক্রান্ত হয়ে অসহ্য যন্ত্রণায় ভূগছে ৩০ বছর বয়সী রাজ্জাক। দিনমজুর বাবার এ সন্তানটি সুস্থ করে বাঁচাতে সকলের সহযোগিতা চায়। পটুয়াখালী রাঙ্গাবালী উপজেলার রাঙ্গাবালী ইউনিয়নের টমটম চালক রাজ্জাক। বর্তমানে বাহের চর বাজারে বসবাস করেন। তার একটি মেয়ে।পায়ের মাংস বেড়ে যাওয়ার কারণে কোন কাজ করতে পারছে না। 

রাজ্জাকের মা জানান, ৭-৮ বছর বয়সের পায়ে ব্যথা পেয়ে ফুলে যায়। অভাবের কারণে ভালো চিকিৎসা করতে পারি নাই। সেই থেকে মাঝে মাঝে ব্যথা হইতো। ব্যথার ঔষধ খাওয়াইলে ব্যথা কমতো। এরপর পায়ের ফোলা ও ব্যথা দেখা দেয়। এ অবস্থায় আমরা টাকার জন্য তাকে কোথায়ও নিয়ে ভাল চিকিৎসা করতে পারি নাই। গত ২-৩ মাসে রাজ্জাকের পায়ের ব্যথার স্থানে মাংস বৃদ্ধির সৃষ্টি হয়। এতে প্রচণ্ড যন্ত্রণায় দিন দিন সে অসুস্থ হয়ে পড়ছে।

পরে দেখা যায়, পা আস্তে আস্তে ফুলতে থাকে। এখন তো রাত কাটে রাজ্জাকের ব্যথার যন্ত্রণায় কাঁদতে কাঁদতে। ওর জন্য আমরা কেউ ঘুমাতে পারি না। আর চিকিৎসা ও করতে পারছি না। চিকিৎসার জন্য স্থানীয় কোন ব্যক্তিবর্গ আর্থিক সহায়তা করার জন্য এগিয়ে আসে নাই।

পল্লি চিকিৎসক জসিম উদ্দিন বলেন, রাজ্জাকের অবস্থা ভালো না। তাকে জরুরী হাসপাতালে নিয়ে পরিক্ষা করা দরকার। টাকার অভাবে যেতে পারছে না। ব্যথা হলেই আমার কাছে আসে। আমি ও কোন টাকা নেই না। মানবিক দিক চিন্তা করে ফ্রিতে প্রাথমিক ভাবে চিকিৎসা করি। কিন্তু কোন ফল পাচ্ছি না।

রাজ্জাকের বাবা জানান, টাকার কারণে পরিবারের দৈনন্দিন খরচ জোগাতেই তিনি হিমশিম খাচ্ছেন। ছেলের চিকিৎসার খরচ চালানোর অবস্থা তার নেই। এজন্য দেশবাসী ও বিত্তবানদের কাছে আর্থিক সাহায্য চেয়েছেন।

স্থানীয় ব্যবসায়ী মো: মনিরুল ইসলাম বলেন, রাজ্জাক কে আমি দেখেছি। এত ব্যয়বহুল চিকিৎসা করা তার বাবার পক্ষে অসম্ভব। এ জন্য বিত্তবানরা মানবিক সাহায্যে এগিয়ে এলে দ্রুত চিকিৎসা করা যাবে।

আমারসংবাদ/এমএস