মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি
জুন ৯, ২০২৬, ০৯:৩০ পিএম
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে এক নারীর বাড়িতে অবস্থানকালে স্থানীয়দের হাতে আটক হয়েছেন শফি সিকদার নামে এক বিএনপি নেতা। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। পরে উভয় পক্ষের সম্মতিতে তাদের বিয়ে সম্পন্ন করা হয়। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তাকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
সোমবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে উপজেলার বাঁশতৈল ইউনিয়নের সোনালিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
বহিষ্কৃত শফি সিকদার কটামারা গ্রামের রহমান সিকদারের ছেলে এবং বাঁশতৈল ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। মঙ্গলবার উপজেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক হারুন অর রশিদের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে তার বহিষ্কারের বিষয়টি জানানো হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোনালিয়া গ্রামের সাবিনা আক্তারের সঙ্গে শফি সিকদারের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল বলে এলাকায় আলোচনা ছিল। সোমবার রাতে শফি ওই নারীর বাড়িতে গেলে স্থানীয় লোকজন বিষয়টি টের পেয়ে বাড়িটি ঘেরাও করেন। পরে দুজনকে আটক করা হয়।
ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও শতাধিক মানুষ সেখানে জড়ো হন। একপর্যায়ে উত্তেজিত জনতা শফি সিকদারকে মারধর করে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
খবর পেয়ে বাঁশতৈল পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক আতাউর রহমান ঘটনাস্থলে যান। এছাড়া স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরাও উপস্থিত হন। পরে উভয়ের সম্মতিতে পাঁচ লাখ টাকা দেনমোহরে তাদের বিয়ে সম্পন্ন করা হয়।
এদিকে ঘটনাস্থলে গিয়ে শফি সিকদারের প্রথম স্ত্রী ও পরিবারের সদস্যরাও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। পরে আহত অবস্থায় তাকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়া হয়।
বাঁশতৈল পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক আতাউর রহমান জানান, ঘটনাস্থলে বিপুলসংখ্যক মানুষ জড়ো হয়েছিল। স্থানীয়ভাবে সমঝোতার উদ্যোগ নেওয়া হলে পরিস্থিতি শান্ত হয়।
এম জি