সিমলার নিষিদ্ধ সিনেমা দেখতে ইউটিউবে লাখো দর্শকের ভিড়!

simla

সেন্সর বোর্ডের ছাড়পত্র না পেয়ে ইউটিউব চ্যানেলে মুক্তি পেয়েছে সিমলার ‘নিষিদ্ধ প্রেমের গল্প’ সিনেমাটি।

গত ২৫ নভেম্বর ‘সিনেমা কটেজ’ নামের একটি ইউটিউব চ্যানেলে সিনেমাটি মুক্তি দেওয়া হয়। 

নানা টানাপোড়েনের কারণে দীর্ঘ ৭ বছর সময় লেগেছে সিনেমাটি সম্পন্ন হতে। এরপর এটি জমা দেওয়া হয় সেন্সর বোর্ডে। কিন্তু সিনেমাটি দেখার পর বোর্ডের সদস্যরা এটাকে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নেন।

সিদ্ধান্তের পক্ষে কয়েকটি কারণও উল্লেখ করা হয়।সিনেমাটির নাম প্রথমে ছিল ‘নিষিদ্ধ প্রেমের গল্প’। এরপর সেন্সর বোর্ডের আপত্তির কারণে নাম বদলে রাখা হয় ‘প্রেম কাহন’। কিন্তু তাতেও মেলেনি ছাড়পত্র। 

তাই প্রেক্ষাগৃহে নয়, অনলাইনেই সিনেমাটিকে মুক্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন নির্মাতা রুবেল আনুশ।সেন্সর বোর্ডের সিদ্ধান্তের বিপক্ষে আপিল করার সুযোগ রয়েছে। কিন্তু সে পথে হাটেননি নির্মাতা। কারণ তিনি মনে করেন, এতে কোনো লাভ হবে না। ইউটিউবে সিনেমাটি আগের নাম অর্থাৎ ‘নিষিদ্ধ প্রেমের গল্প’ হিসেবে মুক্তি দেওয়া হয়। 

এমন সিদ্ধান্তের ভালো ফল ও পেয়েছেন পরিচালক। ইউটিউবে ছবিটি রেকর্ড গড়তে যাচ্ছে। মুক্তির প্রথম দিনেই ছবিটি ১ লাখ মাইলফলক পেরিয়ে গেছে।

পরিচালক আনুশ এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘আশা তো ছিল ছবিটি মানুষদের সিনেমা হলে দেখাবো। এখন যেহেতু সেন্সর বোর্ডের বিজ্ঞ সদস্যরা ছাড়পত্র দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে, তাই ইউটিউবে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

সেখানে যেভাবে দর্শকদের সাড়া পেয়েছি, তা আমরা কেউই আশা করিনি। আমরা দর্শকের কাছে কৃতজ্ঞ। তারা ছবিটি দেখছেন এবং এটি নিয়ে নানা রকম মন্তব্য করছেন যা আমার জন্য প্রেরণার।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমার কাছে মনে হয়েছে সেন্সর বোর্ডের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করে কোনো লাভ হবে না। আর আমরা ওটিটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তি দিতে চেয়েছিলাম। কিন্তু কেউই সেন্সর ছাড়পত্র ছাড়া চালাতে রাজি নন। তাই ইউটিউবেই ছবিটি মুক্তি দিয়েছি।’

ছবিটির প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন সিমলা, মামুন, মনিরা মিঠু, সোহেল খান, মোহাম্মদ সালমান, নোভাই নোভিয়া, মুনমুন আহমেদ মুন, আকাশ মেহেদি, একে আজাদ সেতু, শিমুল খান।

ছবির সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন সোহেল রাজ। প্রযোজনা করেছে আনুশ ফিল্মস। সহ-প্রযোজক রেড পিকচার্স।

আমারসংবাদ/এডি