‘রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে লকডাউন’

ফাইল ছবি

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের দক্ষিণ আফ্রিকান ভ্যারিয়েন্ট ‘ওমিক্রন’ মোকাবিলায় আবারো লকডাউন দিতে যাচ্ছে সরকার। প্রাথমিকভাবে এ লকডাউন সীমিত পরিসরে কার্যকর করা হবে। পরে পরিস্থিতি বিবেচনা বাড়তে পারে।  

খুব শিগগিরই এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। সোমবার (৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক শেষে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক এসব তথ্য জানান। 
 
এ বিষয়ে গণঅধিকার পরিষদের সদস্য সচিব ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর বলেন, রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সরকার লকডাউন দেয়ায় পরিকল্পনা করছে। এই তথাকথিত লকডাউন জনগণ মানবে না। সোমবার ভিপি নুরুল হক নুর তার ফেসবুক পেইজে একটি পোস্ট দেন। সেখানে তিনি এ কথা বলেন।  

উল্লেখ্য, করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি এবং দেশে ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত রোগী পাওয়ার প্রেক্ষাপটে সোমবার (৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে এক বৈঠক হয়। সেই বৈঠক শেষে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, লকডাউনের বিষয়ে আমরা সুপারিশ করিনি। লকডাউনের পরিস্থিতি এখনও হয়নি।  

লকডাউনের ওই পর্যায়ে যাতে যেতে না হয়, সেজন্যই আজকের এ প্রস্তুতি সভা। যা যা স্টেপ নেয়ার তা নিই, তারপর দেখা যাক। এখনই লকডাউনের বিষয়ে ভাবছি না। এখন আমরা জোর দেব প্রতিরোধের বিষয়ে।এক্ষেত্রে মাস্ক পরা এবং রেস্তোরাঁয় বসে খাওয়ার উপর কড়াকড়ি আরোপের কথা বলেন তিনি।

জাহিদ মালেক বলেন, মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। টিকা যদি না নিয়ে থাকে, তাহলে রেস্টুরেন্টে খেতে পারবে না। সেখানে খেতে হলে টিকা সনদ দেখাতে হবে। তবেই রেস্টুরেন্ট তাকে এন্টারটেইন করবে। টিকা সনদ ছাড়া কাউকে খাবার পরিবেশন করলে সেই রেস্তোরাঁকে জরিমানা করা হবে। 

আমারসংবাদ/এআই