Amar Sangbad
ঢাকা বুধবার, ২৫ মে, ২০২২, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯

র‌্যাবের উপর অবিচার হচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

জানুয়ারি ২০, ২০২২, ০১:৩০ পিএম


 র‌্যাবের উপর অবিচার হচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নকে (র‍্যাব) নিষিদ্ধ করার দাবি জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক ১২টি মানবাধিকার সংস্থা।

এ বিষয়ে সংস্থাগুলো জাতিসংঘের আন্ডার-সেক্রেটারি জেনারেল জ্যঁ পিয়ের ল্যাকোঁয়ারকে একটি চিঠি দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২০ জানুয়ারি) মানবাধিবার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। গত বছরের ৮ নভেম্বর জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারিকে এই চিঠি পাঠান তারা।

এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, সরকারি এই বাহিনীর উপর অবিচার হচ্ছে। র‌্যাবের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের অপপ্রচার চালানো হচেছ। র‌্যাবের ভালো কাজের কথা বলা হচ্ছে না। 

বৃহস্পতিবার ডিসি সম্মেলনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধিবেশন শেষে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নে এই প্রতিক্রিয়া জানান তিনি। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন পুলিশ প্রধান ও র‌্যাবের সাবেক মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ, যিনিসহ র‌্যাবের বর্তমান কয়েক কর্মকর্তার উপর যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক নিষেধাজ্ঞার পর মানবাধিকার সংগঠনগুলোওর ওই দাবি তোলে।

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে গত ১০ ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্র ‘গুরুতর’ মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে বেনজীর আহমদ এবং র‌্যাবের বর্তমান ছয় কর্মকর্তার উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। এর ধারবাহিকতা্য় র‍্যাবকে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে নিষিদ্ধ করার দাবি জানিয়েছে ১২টি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা, যা বৃহস্পতিবার হিউম্যান রাইটস ওয়াচ জানায়।

এর পরিপ্রেক্ষিতে সাংবাদিকরা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, র‌্যাব যারা তৈরি করেছেন, এখন তারাই র‌্যাবকে অপছন্দ করছেন। র‌্যাবের বিরুদ্ধে নানান ধরনের অপপ্রচার করছে।

র‌্যাবের ‘ভালো’ কাজের কথা বলা হচ্ছে না মন্তব্য করে তিনি বলেন, “র‌্যাব যে মাদকের বিরুদ্ধে, ভেজাল দ্রব্য নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে, জলদস্যু মুক্ত করছে, চরমপন্থিদের বিরুদ্ধে অ্যাকশনে যাচ্ছে, তারা যে সব সময় জঙ্গি দমন করছে, সন্ত্রাস দমনের জন্য কাজ করছে, সেই কথাগুলো তারা বলছে না।”

র‌্যাবের বিরুদ্ধে যে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “তারা নানান ধরনের মানবাধিকারের কথা বলে। আমি চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলতে পারি, এমন কোনো দেশ নাই যেখানে এনকাউন্টার বা এই ধরনের ঘটনা না ঘটে। পুলিশ বাহিনীর সামনে কেউ যদি অস্ত্র তুলে কথা বলে, পুলিশ বাহিনী তো তখন নিশ্চুপ হয়ে বসে থাকে না। তখনই এই সমস্যা ফায়ারিংয়ের ঘটনা ঘটে। এই সমস্ত সবই যদি এলিট ফোর্স, র‌্যাবের ঘাড়ে দিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে আমি মনে করি, তাদের প্রতি অবিচার করা হচ্ছে।

আমারসংবাদ/এআই