হজক্যাম্পে রিয়াল চুরির ঘটনায় গ্রেপ্তার ২, সাড়ে ১৭ হাজার রিয়াল উদ্ধার

আমার সংবাদ ডেস্ক প্রকাশিত: মে ১, ২০২৬, ১০:০৩ পিএম
হজক্যাম্পে রিয়াল চুরির ঘটনায় গ্রেপ্তার ২, সাড়ে ১৭ হাজার রিয়াল উদ্ধার

রাজধানীর আশকোনা হজক্যাম্পে এক হজযাত্রী দম্পতির ব্যাগ থেকে সৌদি রিয়াল চুরির ঘটনায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তৎপরতার মাধ্যমে পরিচালিত যৌথ অভিযানে চুরি হওয়া ২২ হাজার রিয়ালের মধ্যে সাড়ে ১৭ হাজার রিয়াল এবং নগদ ৯০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন হাবিবুর রহমান ও নাদিম।

শুক্রবার আশকোনা হজক্যাম্পে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়। ব্রিফিংয়ে হজ অফিসের পরিচালক মো. লোকমান হোসেন, ডিএমপির উত্তরা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মির্জা তারেক আহমেদ বেগ এবং মতলব সার্কেলের এএসপি জাবীর হুসনাইন সানীবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

গত ২২ এপ্রিল হজক্যাম্পে হজযাত্রী ইমান আলীর ব্যাগ থেকে ২২ হাজার সৌদি রিয়াল ও ১০ হাজার টাকা চুরি হয়। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, হজযাত্রীর ছদ্মবেশে এক ব্যক্তি অত্যন্ত সুকৌশলে টাকাগুলো চুরি করে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর ছেলে বাদী হয়ে বিমানবন্দর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে ওই দম্পতিকে ২ হাজার রিয়াল সহায়তা দেন এবং তারা নির্ধারিত ফ্লাইটে হজ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরব গমন করেন।

তদন্তের ধারাবাহিকতায় সিটি এসবি’র দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার বিকেলে মতলব এলাকায় অভিযান শুরু হয়। এরপর দাউদকান্দি ও গজারিয়া হয়ে রাজধানীর খিলক্ষেত এলাকায় একাধিক ভবনে তল্লাশি চালিয়ে রাত পৌনে ৩টার দিকে হাবিবুর রহমানকে আটক করা হয়। পরে তাঁর দেওয়া তথ্যে টঙ্গীর স্টেশন রোড থেকে নাদিমকে গ্রেপ্তার করা হয়।

অভিযানকারী দলটি চুরির মূল পরিকল্পনাকারী আব্দুল মান্নানের বড় মেয়ের জামাইয়ের বাসা থেকে ১৭ হাজার ৫০০ সৌদি রিয়াল এবং মান্নানের দ্বিতীয় স্ত্রীর বাসা থেকে নগদ ৯০ হাজার টাকা জব্দ করে। তবে মূল পরিকল্পনাকারী আব্দুল মান্নান এখনো পলাতক রয়েছেন, তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।

রিয়াল উদ্ধারের খবরে সৌদি আরবের মক্কা থেকে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় ভুক্তভোগী ইমান আলী ধর্মমন্ত্রী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন এবং জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।

জেএইচআর