ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) পশু কোরবানির জন্য নির্ধারিত ৩৫৭টি স্থানের বাইরে অনেকেই কোরবানি দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন সংস্থাটির প্রশাসক আবদুস সালাম।
বৃহস্পতিবার ঈদুল আজহার দিনে রাজধানীর কলাবাগানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, নির্ধারিত জায়গাগুলো ব্যবহারের নির্দেশনা থাকলেও নগরবাসীর একটি অংশ তা পুরোপুরি অনুসরণ করেনি। এতে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে অতিরিক্ত চাপ তৈরি হয়েছে।
তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী ১২ ঘণ্টার মধ্যে বর্জ্য অপসারণের কথা থাকলেও তারা এবার ৮ ঘণ্টার মধ্যেই কাজ শেষ করার চেষ্টা করছেন। তার ভাষায়, বেশিরভাগ মানুষ নির্ধারিত স্থানে কোরবানি ও বর্জ্য ফেলার নিয়ম মানলেও কিছু এলাকায় এর ব্যত্যয় ঘটেছে।
আবদুস সালাম আরও বলেন, কোথাও একবার পরিষ্কার করার পরও আবার ময়লা ফেলা হলে সেটি সিটি করপোরেশনের ব্যর্থতা নয়, তবুও তারা সব স্থানই পরিষ্কার রাখার চেষ্টা চালিয়ে যাবেন।
তিনি জানান, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম নির্বিঘ্ন করতে সব ধরনের ছুটি বাতিল করে বিশেষ দায়িত্ব পালন চলছে। ইতোমধ্যে ১১টি পশুর হাটের বাঁশ ও অন্যান্য সামগ্রী সরানোর কাজ শুরু হয়েছে, যা আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সম্পূর্ণ শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে।
কোরবানির কাজের ধাপে ধাপে অগ্রগতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রথম দিন প্রায় ৬০ শতাংশ, পরদিন ৩০ শতাংশ এবং তৃতীয় দিনে বাকি ১০ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয় বলে তাদের ধারণা। পুরো প্রক্রিয়া শেষে সব জায়গা পরিষ্কার করা হবে বলেও তিনি জানান।
এম জি
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন