নারীর শ্লীলতাহানি, যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

ছাতক (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ১০, ২০২২, ০৬:৫৫ পিএম
নারীর শ্লীলতাহানি, যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

সুনামগঞ্জের ছাতকে ধর্ষণের চেষ্টা ও শ্লীলতাহানির অভিযোগে রাফি আহমদ রিংকু নামের এক যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

গত ৪ সেপ্টেম্বর সুনামগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক তার বিরুদ্ধে এ আদেশ জারি করেন। রাফি আহমদ রিংকু উপজেলার ভাতগাঁও ইউনিয়নের জালালপুর বরাটুকা গ্রামের বাসিন্দা। সে উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও ভাতগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার।

জানা যায়, গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর রাতে রাফি আহমদ রিংকু তার প্রবাসী ছোট ভাইয়ের স্ত্রীকে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টাসহ শ্লীলতাহানী করেন। এ ঘটনায় পরদিন ভিকটিমকে কৈতক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে চলতি বছরের ১৬ জানুয়ারী ভিকটিম বাদী হয়ে সুনামগঞ্জে নারী ও শিশু ট্রাইব্যুনাল আদালতে একটি পিটিশন মামলা (নং-২৭১) দায়ের করেন। এর প্রেক্ষিতে ট্রাইব্যুনালের বিচারক পিটিশনটি তদন্ত পূর্বক দাখিলের জন্য সুনামগঞ্জের সিআইডিকে নির্দেশ দেন।

সিআইডির এসআই মইনুল ইসলাম তদন্ত শেষে সম্প্রতি একমাত্র আসামী রাফি আহমদ রিংকুকে অভিযোগের দায় থেকে অব্যাহতি দিয়ে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন। পরে বাদীনি সিআইডির প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে আদালতে নারাজির পিটিশন দাখিল করলে ট্রাইব্যুনালের বিচারক জাকির হোসেন আসামীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারির নির্দেশ প্রদান করেন।

মামলার বাদীনী ও ভিকটিম এ প্রতিবেদককে জানান, সিআইডি আমার প্রতি অবিচার করলেও বিজ্ঞ আদালতের কাছে আমি ন্যায় বিচার পেয়েছি। তিনি বলেন, ঘটনার পর দীর্ঘ দেড় মাস আমার শ্বশুর শ্বাশুড়ী আপোষে নিষ্পত্তি করে দিবেন বলে সময় ক্ষেপন করলেও তাহারা বিষয়টি আপোষে নিষ্পত্তি করে দিতে পারেননি। পরবর্তীতে আমি আমার স্বামীর নির্দেশে আদালতে মামলা দায়ের করতে বাধ্য হয়েছি।

এ ব্যপারে অভিযুক্ত ইউপি সদস্য ও উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রাফি আহমদ রিংকু সমস্থ ঘটনা অস্বীকার করে বলেন, পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে মিথ্যা ঘটনা সাজিয়ে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করে মান-সম্মানের হানী ঘটিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, নিরপেক্ষ তদন্ত হলে অভিযোগটি যে মিথ্যা তা প্রমাণ মিলবে। সিআইডির তদন্তে যেমন মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছিল।

কেএস