মধ্যরাত পর্যন্ত বরিশালের পাইকারি মাছ বাজারগুলো ইলিশ ক্রয় বিক্রয়ে ক্রেতা বিক্রেতাদের হাঁকডাকে সরগরম থাকলেও সকাল থেকেই ইলিশ শুন্য সব বাজার।
ইলিশের প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ রক্ষায় বৃহস্পতিবার থেকে ২ নভেম্বর পর্যন্ত মোট ২২ দিন সারা দেশে ইলিশ ধরা, বিক্রি ও মজুত নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এর ফলে বরিশালের পাইকারি মাছ বাজারগুলোতে দেখা মেলেনি ইলিশের।
তবে বাজারে ইলিশ থাকায় আগের চেয়ে বেড়েছে অন্য মাছের বেঁচা কেনা। ব্যাবসায়ীরা বলছেন, সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক তারা আগামী ২২ দিন ইলিশ বিক্রি বন্ধ রাখবেন।
পাশাপাশি জেলে ও শ্রমিক যারা রয়েছেন তাদের যাতে সরকারি বরাদ্দের সহয়তার চাল দ্রুত পৌঁছে দেয়া হয় তার দাবি জানান। সকালে নগরীর পোর্টরোড বাজারে গিয়ে দেখা গেছে, বাজারে ইলিশের কোন সরবারহ নেই। ব্যবসায়ীরা সাগর ও নদীর বিভিন্ন প্রকার মাছ বিক্রি করছেন।
ইলিশ না থাকায় অনান্য মাছের সরবারহ বেড়েছে। অনান্যদিনের তুলনায় বাজারে ঢেলা, রুপশা, পোমা, সাগরের চিতল,শুরমা, কোড়াল, রুই, নদীর পাঙ্গাস দেখা গেছে। এসব মাছের মধ্য কোরাল ১০০০-১১০০ টাকা, চিতল ৪০০-৪৫০ টাকা, শুরমা ২০০, চিংড়ি ৫৫০-৮০০ টাকা, পাঙ্গাস ২৫০ টাকা, কৈ ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
বাজারে আসা ক্রেতারা বলছেন, সরকার যে ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে তা কার্যকর হলে বাজারে মাছ পাওয়া যাবে। তবে মাছের দাম যাতে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের নাগালের মধ্য থাকে সে বিষয়ে সরকারের নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানান ক্রেতারা।
এআরএস
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন