কলাপাড়ায় পানি বন্দির শঙ্কায় ২০০ পরিবার

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি প্রকাশিত: অক্টোবর ৩০, ২০২৩, ১২:৩০ পিএম
কলাপাড়ায় পানি বন্দির শঙ্কায় ২০০ পরিবার

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ২০০ পরিবার পানি বন্দি হওয়ার শঙ্কায় রয়েছে। পায়রা বন্দরের ভূমি অধিগ্রহণের আওতাধীন সকল খাল-বিল ও স্লুইস গেট ভরাটের কাজ চলমান রয়েছে। এতে উপজেলার টিয়াখালী ইউনিয়নের পায়রা বন্দরের মেইন ফটকের দক্ষিণ পাশে ঢালী বাড়ি সংলগ্ন একটি স্লুইস গেট ভরাট হলে পানি বন্দি হওয়ার আশংকা করছেন সেখানকার বাসিন্দারা। তারা পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের কাছে স্লুইস গেটের বিকল্প হিসেবে ড্রেনেজ ব্যবস্থা রাখার জোর দাবি জানান।

সরেজমিনে জানা যায়, পায়রা বন্দরের উন্নয়নের কাজের জন্য টিয়াখালী ইউনিয়নের কয়েক’শ একর জমি অধিগ্রহন করা হয়েছে। বন্দর কর্তৃপক্ষ সেসকল জমি ভরাট করে উন্নয়নের কাজ চলমান রেখেছে। ফলে ঢালী বাড়ি সংলগ্ন ওই স্লুইস গেটটিও ভরাট করা হবে। সু্লইস গেটটি ভরাট হলে সেখানকার পানি অপসারণের পথ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাবে। এতে স্লুইস গেটের পাশে বসবাসকারী প্রায় দুইশ পরিবার পানি বন্দি হওয়ার আশংকা রয়েছে। তাই পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষ পানি অপসারণের জন্য বিকল্প হিসেবে একটি ড্রেনেজ ব্যবস্থা করে দিবে এমনটাই দাবি এলাকাবাসীর।

স্থানীয় বাসিন্দা আনোয়ার হাওলাদারসহ একাধিক লোক বলেন, পায়রা বন্দরের উন্নয়নের জন্য জায়গা-জমি ছেড়ে দিয়েছি। এখন এই স্লুইস গেটটি ভরাট করে ড্রেনেজ ব্যবস্থা না করলে আমরা পানি বন্দি হয়ে পরবো। তাই বন্দর কর্তৃপক্ষ সদয় হয়ে একটি ড্রেনেজ ব্যবস্থা রাখবে বলে আশা করছেন তারা।

এবিষয়ে টিয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান সুজন মোল্লা বলেন, ভাটা জোয়ারের পানিসহ বর্ষার অতিরিক্ত পানি অপসারণের জন্য ওই কালভার্টটি খুবই জরুরি। পায়রা বন্দরের উন্নয়নের জন্য সেটা ভরাট করা হবে। অথচ পানি অপসারণে বিকল্প হিসেবে ড্রেনেজ ব্যবস্থা না রাখলে ওখানে বসবাসকারী দুইশ পরিবার পানি বন্দি হওয়ার আশংকা রয়েছে। তাই, বন্দর কর্তৃপক্ষের কাছে ওখানে একটি ড্রেনেজ ব্যবস্থা রাখার অনুরোধ জানান তিনি।

এআরএস