ভোলায় নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ মাছ ধরার অপরাধে ২০ জেলেকে কারাদণ্ড ও জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এদের মধ্যে সাতজনকে ১২ দিন বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১৩ জনকে হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীর ইলিশ অভয়াশ্রমে মৎস্য আহরণ করা অবস্থায় তাদেরকে আটক করে কারাদণ্ড ও জরিমানা হয়।
শনিবার (২৩ মার্চ) দুপুরে তজুমদ্দিনের মেঘনা থেকে ১৩ ও তেঁতুলিয়া থেকে ৭ জেলেকে, মৎস্য বিভাগে নেতৃত্বে একটি টিম তাদের আটক করে।
মৎস্য অধিদপ্তর সূত্র জানায়, ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজমুল হাসান ও শুভ দেবনাথ এ দণ্ড দেন।
ভোলা সদরের সিনিয়র উপজেলা মৎস্য অফিসার এ. এফ. এম. নাজমুস সালেহীন জানান, শনিবার সকাল থেকে তেঁতুলিয়া নদীর অভয়াশ্রমে মৎস্য বিভাগের একটি টিম অভিযানে নামে এবং বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে তাদের আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে আট হাজার মিটার নিষিদ্ধ জাল, তিনটি নৌকা ও বেশ কিছু জাটকা জব্দ করা হয়। পরে তাদেরকে মাছ ধরার অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৭ জনকে কারাদণ্ড ১৩ জেলেকে জরিমানা করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজমুল হাসান ও শুভ দেবনাথ এ দণ্ড দেন।
এসময় নদী থেকে একটি বৃহৎ হাফসা জাল ও প্রায় ৫শ’ মিটার কারেন্ট জাল জব্দ ও ধ্বংস করা হয়। হাফসা জালে আটককৃত ছোট জীবিত ইলিশের বাচ্চাগুলো নদীতে ছেড়ে দেওয়া হয়, যাদের আকার ২-৩ ইঞ্চি।
অন্যদিকে, একইভাবে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ ধরার অপরাধে মেঘনা থেকে জাল ও নৌকাসহ ১৩ জেলেকে আটক করা হয়। তাদের জরিমানা আদায় করা হয়েছে এবং জব্দকৃত জাল পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়েছে।
মার্চ-এপ্রিল দুই মাস ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীর ১৯০ কিলোমিটার এলাকায় ইলিশসহ সব ধরনের মাছ ধরা, পরিবহণ ও মজুদ নিষিদ্ধ।
এআরএস
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন