প্রথমে দেখে মনে হবে এটা বড় কোন জলাশয় কিংবা দীঘি। কিন্তু না, এটি চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মির্জাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠ। সাথে আছে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়। সামান্য বৃষ্টি হলেই তলিয়ে যায় এই মাঠ।
গেল কিছুদিন পূর্বে বৈশাখের প্রথম বৃষ্টির পানিতে সম্পূর্ণ ভাবে ডুবে যায় বিদ্যালয়ের মাঠ। এই দৃশ্য বেশ কয়েক বছর যাবত দেখা যাচ্ছে। বছরের প্রায় ছয় মাস পানিতে নিমজ্জিত থাকায় চলাচল ও খেলাধুলাসহ নানান সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্টরা।
মির্জাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের পাশাপাশি রয়েছে মির্জাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। দুইটি স্কুল মিলে প্রায় তিন হাজার শিক্ষার্থী পড়াশোনা করে। দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয়ের মাঠে এমন দশা হলেও যেন মাথাব্যথা নেই কর্তৃপক্ষের। এমন দুর্দশার জন্য সবাই দুষছেন কর্তৃপক্ষকে। তাদের উদাসীনতা ও অব্যবস্থাপনার কারণে গত কয়েক বছর ধরে মাঠটি এভাবে পড়ে আছে জানান স্থানীয়রা।
শিক্ষার্থীদের মতে মাঠের কার্যক্রমের সাথে সাথে খেলাধুলার জন্য দরকার এই মাঠ। দ্রুত জলাবদ্ধতা দূর করে মাঠের পরিবেশ ফেরানোর দাবি তাদের। জানতে চাইলে এবিষয়ে মির্জাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আতিকুর রহমান প্রতিবেদককে বলেন, মাঠ নিয়ে আমরাও বেশ চিন্তায় আছি, তবে শিঘ্রই ব্যবস্থা নেয়া হবে।
বাজার কমিটিকে দায়ী করে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি আকবর হায়দার চৌধুরী বলেন, বাজারের বর্জ্য সঠিক জায়গায় না ফেলার কারণে নালা বন্ধ থাকে, তাই এমন জলাবদ্ধতা। শীঘ্রই তা নিরসনে কাজ করা হবে।
তিনি আরও বলেন, স্কুলের নালাটি মেরামত না করে তারা বাজার কমিটির উপর দায় ছাপাচ্ছে। অথচ সওজের যে নালাটি আছে সেটি থেকে মাঠ অনেক নীচু তাই পানি নালায় ওঠে না। মাঠ ভরাট না করা অব্দি এর কোন সমাধান পাবে না মনে হয়।
মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মাঈনুদ্দিন মজুমদার বলেন, এ বিষয়ে লিখিত বা মৌখিক কোনোভাবেই তাদের জানানো হয়নি।
বিআরইউ
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন