আসন্ন ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তৃতীয় ধাপের ভোলার লালমোহনে নির্বাচনি মিছিল থেকে ডিএসবি’র (ডিস্ট্রিক্ট স্পেশাল ব্রাঞ্চ) এস আই কে এম আব্দুল হক এর ওপর হামলার ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় ২ জন কে আটক করেছে পুলিশ। এতে এজাহার নামীয় ১১জনসহ আরও ১৫/২০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়।
গত বুধবার রাতে হামলার শিকার ডিএসবি’র এসআই কেএম আবদুল হক বাদি হয়ে লালমোহন থানায় মামলাটি দায়ের করেন বলে বৃহস্পতিবার (২৩ মে) ভোলা জেলা পুলিশ সুপারের দেওয়া এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানা গেছে।
বিবৃতিতে আরো বলা হয়, এসআই কে এম আবদুল হক বুধবার (২২ মে) পৌরসভার ৬ নম্বরে হাইস্কুল মার্কেটে মাইমুনা ফ্যাশন দোকানের সামনে দায়িত্ব পালন করছিলেন। লালমোহন উপজেলায় চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আক্তার হোসেন শালিক মার্কার কর্মী-সমর্থকরা মিছিল করার সময় আবদুল হক ফোনে স্থিরচিত্র ধারণ করায় শালিক মার্কার কর্মী-সমর্থক মো. সোহান, মো. রাসেল, মো. আরিফ, মো. নিহাত, মো. রিপন, মো. জিহাদ, মেহেদীসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১৫-২০ জন সরকারি কাজে বাধা প্রদান করে এবং
পুলিশ সদস্যকে এলোপাতাড়ি চড়-থাপ্পড়, কিল-ঘুষি মেরে আহত করেন। এ ছাড়া প্রকাশ্যে খুন ও জখমের হুমকি প্রদান করে। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে। সংবাদ পেয়ে লালমোহন থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে কে এম আবদুল হককে উদ্ধার করে লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান ভর্তি করেন।
লালমোহন থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) মাহাবুবুল আলম জানান, কে এম আব্দুল হককে মারধরের ঘটনায় মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় ৩জনকে আটক করা হয়েছে এবং অন্যদেরও গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে,তবে তিনি আটককৃত আসামিদের নাম জানাননি।
বিআরইউ
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন