কোটা সংস্কার আন্দোলনে মাথায় গুলিবিদ্ধ মাহমুদুর রহমান খান সোহেল নামে এক চাকরিজীবী চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। সোহেলের মৃত্যুতে পরিবার ও এলাকায় নেমে এসেছে শোকে ছায়া। নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের কাঞ্চন পৌরসভার ত্রিশকাহনীয়া এলাকার বকুল খানের ছেলে মাহমুদুর রহমান খান সোহেল। চাকরি করতেন বেসরকারি এয়ারলাইন্স ইত্তিহাতের কার্গো বিভাগে। স্ত্রী, এক ছেলে ও দুই মেয়েকে নিয়ে থাকতেন রাজধানী উত্তরায়।
স্বজনরা জানান, সারাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন শুরু হলে শিক্ষার্থীদের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে তাতে যোগ দেন সোহেল। গেলো ৪ আগস্ট রাজধানীর উত্তরা এলাকায় আন্দোলন কারার সময় মাথায় গুলিবিদ্ধ হন তিনি। এসময় তাকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে শিক্ষার্থীরা স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যায়। অবস্থার অবনতি হলে সেখান থেকে নিয়ে যাওয়া হয় রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে।
পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে তার মৃত্যু হয়। শনিবার সকালে নিজ বাড়ি ত্রিশকানীয় এলাকায় নামাযের জানাজা শেষে তার দাফন সম্পন্ন হয়। সোহেলকে যারা হত্যা করেছে তাদের বিচার দাবি করে স্বজনরা বলছেন, এই পরিস্থিতিতে সরকার যেন তার পরিবারের পাশে দাঁড়ায়।
আরএস
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন