বন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে চাঁদা না দেওয়ায় এনামুল হক নামে এক ব্যক্তির বসতবাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে ফটিকছড়ি উপজেলায় নারায়ণহাট ইউনিয়নের করিমপুর এলাকায়।
শনিবার (৩১ আগস্ট) সকালে নারায়ণহাট রেঞ্জের আওতাধীন বালুখালি বিটের করিমপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
বনবিভাগ জানায়, অবৈধভাবে সরকারি জায়গা দখল করে ঘর নির্মাণ করায় উচ্ছেদ করা হয়েছে।
এনামুল হক জানান, পূর্ব নোটিশ ছাড়াই উচ্ছেদের নামে ভাঙচুর চালিয়ে বসতবাড়ি থেকে তাদের বের করে দিয়েছে। নারায়ণহাট রেঞ্জ কর্মকর্তা আনিসুর রহমানের জন্য ৪০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন বালুখালী বিট অফিসার মো. আলাল। মাস খানেক আগে তিনি ১৭ হাজার টাকা চাঁদা দিয়ে একটি গৃহ নির্মাণ করেন। কিন্তু বাকি টাকা দিতে বিলম্ব হলে শনিবার ভোরে তার বসতঘর ভাঙচুর করে বন কর্মকর্তারা।
তিনি আরও জানান, স্বাধীনতার পরবর্তী সময় থেকে তারা এখানে বসবাস করছেন। তাদের নির্মাণাধীন বসতঘরের পার্শ্ববর্তী জায়গা রিজার্ভ ফরেস্টের। আশেপাশে একাধিক ঘর থাকলেও উদ্দেশ্যমূলক তাদের ঘরটি ভাঙচুর করেছে বন কর্মকর্তারা। কর্মকর্তাদের কাছে অনুরোধ করে ঘরের আসবাবপত্র বের করতে চাইলেও তারা সে সুযোগ দেয়নি।
এদিকে চাঁদা দাবির বিষয়ে জানতে চাইলে বিট স্টেশন কর্মকর্তা মো. আলাল বিষয়টি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেন।
তিনি বলেন, এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট কথা। ঘর নির্মাণের বিষয়ে জানতে পেরে রেঞ্জ কর্মকর্তার নেতৃত্বে অভিযান চালিয়েছেন তারা। এ বিষয়ে মামলা প্রক্রিয়াধীন বলে জানান বিট কর্মকর্তা।
ঘটনার বিষয়ে রেঞ্জ কর্মকর্তা আনিসুর রহমানের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করে নি।
বিআরইউ
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন