তীব্র স্রোত ও নদী ভাঙনের কারণে মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ফেরি ঘাটের সমস্যা কাটছেই না। প্রতিদিনই ধীরে ধীরে বিলীন হচ্ছে ফেরি ঘাট এলাকা।
বৃহস্পতিবার ভোরে তীব্র স্রোতে পাটুরিয়া ৪ নম্বর ঘাটের পন্টুন নদীতে পড়ে যায়। এরপর থেকে ওই ঘাট সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। নদী ভাঙনে হুমকির মুখে রয়েছে ৩ ও ৫ নম্বর ঘাটও।
নদী ভাঙনের কারণে প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ফলে ঘাট এলাকায় দিনভর যানবাহনের দীর্ঘ সারি দেখা যাচ্ছে, যা দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের হাজারো মানুষকে চরম দুর্ভোগে ফেলেছে।
বিআইডব্লিউটিএর পদক্ষেপ না থাকা নিয়ে স্থানীয়রা উদ্বিগ্ন। শুধু অল্প কিছু জিও ব্যাগ ফেলা দিয়ে যেন দায়িত্ব শেষ করেছে কর্তৃপক্ষ।
বিআইডব্লিউটিসির আরিচা আঞ্চলিক কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) মো. সালাম হোসেন জানান, নদী ভাঙনের কারণে বুধবার রাত ৪টায় ৪ নম্বর ফেরি ঘাটের পন্টুন বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিল। পরে ক্রেন দিয়ে পন্টুনটি পুনরায় স্থাপন করার চেষ্টা চলছে। বর্তমানে শুধুমাত্র ৩ ও ৫ নম্বর ঘাট দিয়ে ফেরি সার্ভিস চালু আছে। ৩ নম্বর ঘাটটিও ভাঙনের মুখে পড়েছে। দুপুর থেকে সেখানে জিও ব্যাগ ফেলার কাজ শুরু হয়েছে।
গত কয়েক দিনের ভাঙনে পাটুরিয়া ঘাট ও আশপাশের এলাকায় লঞ্চ ঘাট, বসতবাড়িসহ বিভিন্ন স্থাপনা বিলীন হয়েছে। স্থানীয়রা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, এই পরিস্থিতি চলতে থাকলে যে কোনো সময় ফেরি সার্ভিস বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
এদিকে, বুধবার পানি উন্নয়ন বোর্ডের সহায়তায় পাটুরিয়া ৫ নম্বর ঘাট সংলগ্ন জনবসতি রক্ষায় শিবালয় উপজেলা প্রশাসন ১ হাজার জিও ব্যাগ ফেলেছে।
ইএইচ
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন