কক্সবাজারের চকরিয়া থানার হাজতের একটি কক্ষে আত্মহত্যা করেছেন দুর্জয় চৌধুরী। তিনি চকরিয়া সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী ও কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
শুক্রবার সকাল ১০টায় ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রূপায়ন দেব থানার হাজত থেকে তার লাশ উদ্ধার করেন।
পরে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়।
আত্মহত্যা করা দুর্জয় চৌধুরী চকরিয়া পৌরসভার চার নম্বর ওয়ার্ডের ভরামুহুরী হিন্দু পাড়ার কমল চৌধুরীর পুত্র। পরিবার জানায়, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যা হতে পারে, কারণ দুর্জয় সুস্থ ও দায়িত্ববান ছিলেন।
পুলিশ জানায়, বিদ্যালয়ের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রাবেয়া খানম গত ২১ আগস্ট রাতে দুর্জয়কে থানার কাছে সোপর্দ করেন লিখিত অভিযোগসহ। তবে ভোররাতে দুর্জয় নিজের শার্ট ব্যবহার করে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।
পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, এটি পরিকল্পিত হত্যা, এবং তারা রাবেয়া খানমকে বিচারসহ যারা এ হত্যার সঙ্গে জড়িত তাদের বিচারের দাবি জানিয়েছেন। বিকেল ২টায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া রাতে যারা ডিউটিতে ছিলেন তাদের অবহেলার অভিযোগও উঠেছে।
চকরিয়া থানায় দুর্জয়ের আত্মহত্যার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন কক্সবাজার জেলা পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মো. জসীম উদ্দিন।
ইএইচ
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন