পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলেছে ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

রায়হান জামান, কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি প্রকাশিত: আগস্ট ৩০, ২০২৫, ১০:৫৩ এএম
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলেছে ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের ১৩টি লোহার দানবাক্সে রেকর্ড ৩২ বস্তা টাকা পাওয়া গেছে।

শনিবার সকাল ৭টার দিক কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ফৌজিয়া খান পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাছান চৌধুরি এর উপস্থিতিতে দানবাক্সগুলো খোলা হয়।

মসজিদের দানবাক্সগুলো খুলে এক এক করে ৩২টি বস্তায় টাকাগুলো ভরে মসজিদের দ্বিতীয় তলায় নেওয়া হয়। সেখানেই চলছে গণনা। এবার আশা করা হচ্ছে টাকার পরিমাণ গত রেকর্ডটিকেও ছাড়িয়ে যাবে।

এ সময় বিপুলসংখ্যক সেনাবাহিনী, পুলিশ ও আনসার সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ফৌজিয়া খান জানান, এই মসজিদের দানবাক্সগুলো ৪ মাস ১৮ দিন পর খোলা হয়েছে। আগে গত, ১২ এপ্রিল মসজিদের ১১টি দানবাক্স খুলে ৯ কোটি ১৭ লাখ ৮০ হাজার ৬৮৭ টাকা পাওয়া যায় এছাড়া দানবাক্সে মিলছে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণালংকার।

মসজিদের টাকাগুলো রূপালী ব্যাংকে রাখা হয়। পরবর্তীতে টাকাগুলো মসজিদের এতিমখানার ১৩০ জন এতিম শিক্ষার্থী ভরণপোষণ ও মসজিদ পরিচালনা পরিষদের সদস্যের বেতন ও গরীব রোগীর চিকিৎসা খাতে ব্যয় করা হয়।

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাছান চৌধুরী বলেন, আমরা নিরাপত্তার কাজে নিয়োজিত আছি।

রূপালী ব্যাংকের সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) রফিকুল ইসলাম, মসজিদের টাকা গণনা চলছে। এই গণনায় নূরুল কুরআন হাফিজিয়া মাদ্রাসার ১৩০ জন, আল জামিয়াতুল ইমদাদিয়ার ১৬৫ জন শিক্ষার্থী, পাগলা মসজিদের ৪৫ জন স্টাফ ও রূপালী ব্যাংক কিশোরগঞ্জ শাখার ৬০ জনসহ মোট ৪০০ জন অংশগ্রহণ করেছেন।

দিনভর টাকা গণনা শেষে আশা করছি সন্ধ্যার মধ্যে জানা যাবে এবারের দানের পরিমাণ।