ফিলিপাইনের কালো জাতের আখ ‘ব্ল্যাক সুগার কেইন’। সখের বসে একটি চারা থেকে শুরু করে এখন বাণিজ্যিকভাবে নরসিংদীতে প্রথমবারের মতো এই আখ চাষ শুরু করেছেন কৃষক বকুল মিয়া। এতে খরচ নেই বললেই চলে আর চাহিদাও বেশ ভালো। ফলে আগামীতে বড় পরিসরে এই আখ আবাদের কথা জানালেন তিনি। আর কৃষি বিভাগ বলছে, নতুন জাতের এই আখ নিয়ে গবেষণার করার প্রক্রিয়া চলছে, ফলাফল ভালো আসলে কৃষকদের সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।

১৩ শতক জমিতে সারি সারি দাঁড়িয়ে আছে ফিলিপাইন জাতের আখ। আকারে লম্বা এই আখের বাইরের অংশ দেখতে কালো ও খয়েরি। দেশীয় আখের মতো হলেও এর কাণ্ড নরম। হাত দিয়েই ওঠানো যায় ছোবড়া। রস ও মিষ্টি বেশি হওয়ায় এ জাতের আখ চাষে লাভও বেশি। তবে এই আখ চিনি উৎপাদনের জন্য নয় বরং চিবিয়ে খাওয়ার জন্য। নরসিংদীতে প্রথমবারের মতো এই আখের আবাদ করেছেন কৃষক বকুল মিয়া।
নতুন এই জাতের আখের চাহিদাও ভালো থাকায় লাভও পাচ্ছেন বেশ। সখের বসে আনা একটি চারা থেকে আজ ১৩ শতাংশ জমিতে এই আখের আবাদ করেন তিনি। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত চলে পরিচর্যা।
কৃষক বকুল মিয়া জানান, ব্ল্যাক সুগার ক্যান উৎপাদনে খরচ নেই বললেই চলে। প্রতি পিস আখ পাইকারি ৮০-১২০ টাকা ও খুচরা ১৫০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করা যাচ্ছে। আগামীতে আরো বড় পরিসরে এই আখের আবাদ করতে চান কৃষক।

দূরদূরান্ত থেকে অনেকেই এই আখ দেখতে ও কিনতে ক্ষেতে ভীর করছেন ক্রেতা ও পাইকাররা। অনেকেই আবার উৎসাহিত হচ্ছেন এই জাতের আখ উৎপাদনে।
নরসিংদী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ আবদুল হাই বলেন, নতুন জাতের এই আখটি নিয়ে গবেষণা করার প্রক্রিয়া চলছে। গিলভেষনায় যদি সব ঠিক থাকে কৃষকদের সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।
ফিলিপাইন কালো জাতের এই আখ উৎপাদনে কৃষকদের সব ধরনের সহযোগিতা করবে কৃষি বিভাগ, এমনটাই প্রত্যাশা কৃষকদের।
জেএইচআর
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন