উত্তরা ইপিজেডে সংঘর্ষ ও শ্রমিক নিহত: সব কারখানা বন্ধ

নীলফামারী প্রতিনিধি প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ৩, ২০২৫, ০৭:৩৮ পিএম
উত্তরা ইপিজেডে সংঘর্ষ ও শ্রমিক নিহত: সব কারখানা বন্ধ

নীলফামারীর উত্তরা রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলে (ইপিজেড) শ্রমিক আন্দোলন সহিংস রূপ নিয়েছে। ২৩ দফা দাবিতে গত শনিবার এভারগ্রীন কোম্পানির শ্রমিকদের আন্দোলন শুরু হলেও তা ধীরে ধীরে অন্যান্য কারখানার শ্রমিকদের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়ে।

মঙ্গলবার আন্দোলন নিয়ন্ত্রণে যৌথবাহিনী মাঠে নামলে সংঘর্ষ বাধে। 

এতে হাবিবুর রহমান হাবিব নামে এক শ্রমিক নিহত হন এবং আহত হন অন্তত ১৫ জন। পরে বিকেলে সেনাবাহিনী, পুলিশ ও র‌্যাবের যৌথ উদ্যোগে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

ঘটনার পর বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) ইপিজেডের সব কারখানা বন্ধ ঘোষণা করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষের (বেপজা) নিরাপত্তা প্রধান আশরাফুল ইসলাম। 

তিনি বলেন, “মঙ্গলবারই জানানো হয়েছিল, বুধবার কোনো কারখানা খোলা থাকবে না। বিকেলে বৈঠকে সিদ্ধান্ত হবে আগামীকাল থেকে কারখানাগুলো চালু থাকবে কি না।”

স্থানীয় বাসিন্দা সাইফুল ইসলাম বলেন, “ঘটনার পর উত্তেজনা ছড়ালেও সেনাবাহিনী ও পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। আমরা চাই দ্রুত সমস্যার সমাধান করে ইপিজেড চালু করা হোক।”

আরেক বাসিন্দা সুলতানা রাজিয়া জানান, “কয়েকদিন ধরে শ্রমিকরা আন্দোলন করছিল। কিন্তু হঠাৎ করেই বড় ঘটনা ঘটে গেল। এখন পরিস্থিতি শান্ত, তবে ইপিজেড বন্ধ হয়ে যাওয়ার গুঞ্জন শুনছি। তা হলে আমরা প্রতিবাদ জানাব।”

ইপিজেড মোড়ের দোকানদার রইছুল ইসলাম বলেন, “কোম্পানিগুলো বন্ধ থাকায় বেচাকেনা নেই। ক্রেতারা মূলত ইপিজেডের শ্রমিকরাই। বিক্রি না থাকায় লোনের কিস্তি আর পরিবারের খরচ সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।”

ইএইচ