চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় এক যুবদল নেতাকে তুলে নিয়ে মারধর ও ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোর অভিযোগ উঠেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এর স্থানীয় এক নেতার বিরুদ্ধে।
এ নিয়ে বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলা সদরের একটি রেস্টুরেন্টে সংবাদ সম্মেলন করেন ভুক্তভোগী পরিবার।
ভুক্তভোগীর নাম মোহাম্মদ ফারুক। তিনি বান্দরবানের লামা উপজেলার আজিজনগর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি।
সংবাদ সম্মেলনে ফারুকের ছেলে ফয়সাল উদ্দিন অভিযোগ করে বলেন, বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে অসুস্থ দাদাকে চিকিৎসা শেষে লোহাগাড়া ডায়াবেটিক হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরছিলেন তার বাবা। এ সময় ৭-৮ জন ব্যক্তি এসে তার বাবাকে মারধর করে জোরপূর্বক গাড়িতে তুলে নিয়ে যায়। পরে তাকে আরও মারধর করে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানো হয় এবং জোরপূর্বক স্বীকারোক্তি আদায় করে ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে লোহাগাড়া পোস্ট অফিস সংলগ্ন এলাকা থেকে পুলিশ আহত অবস্থায় ফারুককে উদ্ধার করে।
তিনি আরও জানান, প্রথমে ফারুককে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বর্তমানে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
অভিযুক্ত এনসিপির লোহাগাড়া উপজেলার প্রধান সমন্বয়ক জহির উদ্দিন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ফারুক মাদক ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ত। স্থানীয়রা তাকে ইয়াবাসহ আটক করেছে। সে ইয়াবা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত বলে এক ভিডিওতে স্বীকার করেছে, যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। পরে স্থানীয়রা তাকে পুলিশে সোপর্দ করেছে।
লোহাগাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুর রহমান জানান, ফারুককে পুলিশ হেফাজতে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এ ঘটনায় তদন্ত চলছে।
ইএইচ
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন