বাসার কক্ষে পড়েছিল এনজিও কর্মকর্তার মরদেহ: ৯৯৯ এ কল পেয়ে উদ্ধার

বি.এম খোরশেদ, মানিকগঞ্জ প্রকাশিত: অক্টোবর ৭, ২০২৫, ০৫:৫২ পিএম
বাসার কক্ষে পড়েছিল এনজিও কর্মকর্তার মরদেহ: ৯৯৯ এ কল পেয়ে উদ্ধার

মানিকগঞ্জে শহরে ভাড়া বাসা থেকে স্যামুয়েল হাসদা (৩২) নামের এক এনজিও কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার দুপুরে শহরের পোড়রা এলাকার প্রফেসর সুলতান উদ্দিনের বাসা থেকে এই মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

স্যামুয়েল হাসদা রাজশাহী এলাকার গোদাগাজী এলাকার সরকার হালদার ছেলে। তিনি বারসিক নামের একটি এনজিও প্রতিষ্ঠানের সহযোগী গবেষক হিসাবে মানিকগঞ্জে কর্মরত ছিলেন।

স্যামুয়েল হাসদার সহকর্মী ও বারসিকের প্রোগ্রাম অফিসার কমল দত্ত জানান, খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী স্যামুয়েল বারসিকে প্রায় ১০ বছর ধরে কর্মরত।

চলতি মাসের ১ তারিখে পূজার ছুটিতে গ্রামের বাড়িতে বেড়াতে যান স্যামুয়েল হাসদা। গতকাল (৬ অক্টোবর) রাতে ছুটি শেষে মানিকগঞ্জে এসে পৌঁছান তিনি।

মঙ্গলবার সকালে তার কর্মস্থলে যোগদান করার কথা ছিল। বেলা গড়িয়ে দুপুর হলেও অফিসের সহকর্মীরা তাকে ফোনে না পেয়ে বাসা পর্যন্ত আসেন। দরজায় দীর্ঘক্ষণ ডাকাডাকি করার পরও কোনো সাড়া শব্দ না পেয়ে জরুরি পরিষেবা ৯৯৯ এ ফোন করে পুলিশকে জানানো হয়।

পরে পুলিশ এসে দরজা ভেঙে রুমের ভেতরে প্রবেশ করে বিছানার উপর তার মরদেহ দেখতে পান। তাৎক্ষণিকভাবে মৃত্যুর কারণ জানা যায়নি। তবে স্থানীয়দের প্রাথমিক ধারণা, স্ট্রোকজনিত কারণে তার মৃত্যু হতে পারে।

এ বিষয়ে মানিকগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস. এম. আমান উল্লাহ বলেন, “খবর পাওয়ার পর ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ সম্পর্কে জানা যাবে।”

ইএইচ