হিমালয়ের পাদদেশে উত্তরের সীমান্ত ঘেঁষা জেলা কুড়িগ্রামে ঘনকুয়াশার সাথে হাড় কাঁপানো শীতে কাহিল হয়ে পড়েছে এ জনপদের মানুষ। বাতাস বইছে। সন্ধ্যা থেকে সকাল পর্যন্ত কনকনে শীতে কাবু হয়ে পড়ছে এ অঞ্চলের জনজীবন। সকালের দিকে কুয়াশার চাদরে ঢেকেছে এ জনপদ। চরম বিপাকে পড়ছেন খেটে-খাওয়া ও নিম্ন আয়ের শ্রমজীবী মানুষ। এছাড়া ঘন কুয়াশায় দুর্ঘটনা এড়াতে যানবাহনগুলো হেড লাইট জ্বালিয়ে চলছে।
বুধবার জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, জানিয়েছেন রাজারহাট আবহাওয়া অফিস কর্তৃপক্ষ।
রাত থেকে ভোর পর্যন্ত ঠাণ্ডা বাতাস বইছে। অটো রিকশা চালক মো. আব্দুল মালেক বলেন, "সকালে কুয়াশার কারণে হেড লাইট জ্বালিয়ে রাস্তায় সাবধানে চলাচল করতে হচ্ছে। কুয়াশার কারণে বেশি দূর দেখা যায় না। দিন যতই যাচ্ছে ঠান্ডার মাত্রা বাড়ছে।"
কুড়িগ্রাম সদরের ধরলার পাড় এলাকার শিক্ষক মো. মিলন চৌধুরী জানান, কনকনে ঠান্ডায় কাঁপছে চরাঞ্চলের মানুষ। অনেকেই শীত নিবারণ করছে খড়কুটো জ্বালিয়ে। জীবিকার তাগিদে শীত উপেক্ষা করেই ক্ষেত মজুররা ধান কাটছে।
কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালের আরএমও নিসর্গ মিরাজ চৌধুরী জানান, কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালের শিশু বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় ৯ জন শিশু ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত শীতজনিত রোগীর সংখ্যা সীমিত আছে।
ইএইচ
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন