দেশের শীর্ষস্থানীয় দুই জাতীয় দৈনিক প্রথম আলো ও দ্য ডেইলি স্টার কার্যালয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হামলা, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের প্রতিবাদে পটুয়াখালীর বাউফলে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। একই সঙ্গে নিউ এজ সম্পাদক নূরুল কবীরকে হেনস্তা ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন স্থানীয় সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিবৃন্দ।
সোমবার বেলা ১১টার দিকে বাউফল প্রেসক্লাবের আয়োজনে বীর উত্তম সামসুল আলম তালুকদার ভবনের সামনের সড়কে এই কর্মসূচি পালিত হয়।
বাউফল প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. জলিলুর রহমানের সভাপতিত্বে ঘণ্টাব্যাপী অনুষ্ঠিত এই মানববন্ধনে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
সমাবেশে জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক আমিরুল ইসলাম বলেন, "সংবাদ মাধ্যম হলো আলো। আলো কখনো পোড়ে না, বরং আগুনের ছোঁয়ায় তা আরও বহুগুণে বিকশিত হয়। প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার সেই আলো হয়েই মানুষের মাঝে ফিরে আসবে।" বাউফল প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি অতুল চন্দ্র পাল বলেন, "সংবাদপত্রের কারণেই সরকার স্বৈরাচার হতে ভয় পায়। শীর্ষ সংবাদপত্রের ওপর এই আক্রমণ স্বাধীন সাংবাদিকতার ওপর বড় ধরনের হুমকি।"
প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. জসিম উদ্দিন ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক অহিদুজ্জামান ডিউক তাদের বক্তব্যে উল্লেখ করেন, ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদির মৃত্যুর পর একটি স্বার্থান্বেষী মহল পরিকল্পিতভাবে এই ন্যাক্কারজনক হামলা চালিয়েছে। বিশেষ করে প্রবীণ সম্পাদক নূরুল কবীরকে লাঞ্ছিত করার ঘটনাকে সাংবাদিকতার ইতিহাসের এক ‘কালো অধ্যায়’ হিসেবে অভিহিত করেন তাঁরা।
সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন ইত্তেফাকের কৃষ্ণ কান্ত কর্মকার, ইনকিলাবের নূরুল ইসলাম ছিদ্দিকী মাসুম, উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মো. অলিয়ার রহমান এবং সুজন প্রতিনিধি অধ্যাপক অহিদুজ্জামান সুপন প্রমুখ। বক্তারা অবিলম্বে ঘটনার সঙ্গে জড়িত উগ্রগোষ্ঠীকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
ইএইচ
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন