নড়াইলের লোহাগড়া সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান গেটের সামনে একটি ঝুঁকিপূর্ণ গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার সরেজমিনে দেখা যায়, গর্তটি যে স্থানে অবস্থিত সেটি জননিরাপত্তার জন্য খুবই ঝুঁকিপূর্ণ।
গর্তের উত্তর পাশে রয়েছে শতবর্ষের ঐতিহ্যবাহী লোহাগড়া সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, দক্ষিণ পাশে রামনারায়ণ পাবলিক লাইব্রেরি, লোহাগড়া ক্লাব, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান মন্দিরসহ বাজারে রয়েছে কয়েকটি সরকারি ও আধা-সরকারি ব্যাংক।
প্রতিনিয়ত এ বাজারে বিভিন্ন এলাকা থেকে হাজার হাজার মানুষ এই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করেন। উল্লেখিত বিদ্যালয়ে দুই হাজারের বেশি ছাত্র-ছাত্রী পড়ালেখা করে।
এ ছাড়া মন্দির, লাইব্রেরি, সাংবাদিক ইউনিয়ন ও লোহাগড়া ক্লাবে প্রতিদিন শত শত লোকজন যাতায়াত করেন। গর্তটি থাকার কারণে ওই সকল প্রতিষ্ঠানের লোকজন ও ছাত্র-ছাত্রীদের যাতায়াত করতে খুবই সমস্যা হচ্ছে।
সূত্র জানায়, লোহাগড়া সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এস এম হায়াতুজ্জামান বলেন, ‘আজ সকালে একজন ছাত্র ওই গর্তে পড়ে গিয়েছিল, তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাড়িতে পাঠিয়েছি।’
এদিকে মন্দির কমিটির সদস্য বিকাশ বিশ্বাস বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে গর্তটি থাকার কারণে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হচ্ছে। আমরা এর দ্রুত সমাধান চাই।’ ভ্যানচালক জাকির হোসেন তাঁর আঞ্চলিক ভাষায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘এই গর্ত খুবই খারাপ। এটি ঠিক না করলে ভ্যানগাড়ি নিয়ে উল্টে পড়ে যাব। তখন হাত-পা ভেঙে দলামোচা হয়ে থাকতে হবে।’
এ ব্যাপারে লোহাগড়া পৌর প্রশাসক ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাদিয়া সুলতানা বলেন, ‘ঠিকাদার তার সিডিউল মোতাবেক কাজ করেছেন। তবে ওই গর্তটির ব্যাপারে আমি খোঁজ নিচ্ছি এবং দ্রুত এর ব্যবস্থা গ্রহণ করছি।’
ইএইচ
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন