পটুয়াখালীতে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ ও নির্বাচনী আচরণবিধি বিষয়ক সভা

মশিউর রহমান বাবলু, পটুয়াখালী প্রকাশিত: জানুয়ারি ২১, ২০২৬, ০৩:৩১ পিএম
পটুয়াখালীতে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ ও নির্বাচনী আচরণবিধি বিষয়ক সভা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে পটুয়াখালীতে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ ও নির্বাচনী আচরণবিধি বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

বুধবার দুপুরে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসারের সম্মেলন কক্ষে জেলার চারটি আসনের প্রার্থী ও তাদের সমর্থকদের উপস্থিতিতে প্রতীক বরাদ্দ দেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ড. মো. শহিদ হোসেন চৌধুরী। 

সভায় পুলিশ সুপার মো. আবু ইউসুফ, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ওহীদুজ্জামান মুন্সিসহ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এসময় নির্বাচনী আচরণবিধি সম্পর্কে অবহিত করার পাশাপাশি প্রার্থীদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন তারা।

পটুয়াখালী-১ আসনে বিএনপি জোট প্রার্থী আলতাফ হোসেন চৌধুরী ধানের শীষ প্রতীক, জামায়াত সমর্থিত ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী মোহাম্মদ আব্দুর ওহাব মিনার ঈগল প্রতীক, ইসলামি আন্দোলনের প্রার্থী মো. ফিরোজ আলম হাতপাখা প্রতীক, জাসদ প্রার্থী গৌতম চন্দ্র শীল মোটর গাড়ি (কার) প্রতীক, জাতীয় পার্টির প্রার্থী আ. মান্নান লাঙ্গল প্রতীক, গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. শহিদুল ইসলাম ফাহিম ট্রাক প্রতীক।

পটুয়াখালী-২ আসনে বিএনপি জোট প্রার্থী সহিদুল আলম তালুকদার ধানের শীষ প্রতীক, জামায়াত সমর্থিত ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী মো. শফিকুল ইসলাম দাঁড়িপাল্লা প্রতীক, ইসলামি আন্দোলনের প্রার্থী মালেক হোসেন হাতপাখা প্রতীক, আমার বাংলাদেশ পার্টির প্রার্থী মো. রুহুল আমিন ঈগল প্রতীক, গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. হাবিবুর রহমান ট্রাক প্রতীক।

পটুয়াখালী-৩ আসনে বিএনপি জোট প্রার্থী নুরুল হক নুর ট্রাক প্রতীক, জামায়াত সমর্থিত ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী মুহম্মদ শাহ আলম দাঁড়িপাল্লা প্রতীক, স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুন ঘোড়া প্রতীক, ইসলামি আন্দোলন আবু বকর সিদ্দিক হাতপাখা প্রতীক।

পটুয়াখালী-৪ আসনে বিএনপি জোট প্রার্থী এবিএম মোশাররফ হোসেন ধানের শীষ প্রতীক, জামায়াত সমর্থিত ১০ দলীয় জোট প্রার্থী ডাঃ জহির উদ্দিন আহম্মেদ দেয়াল ঘড়ি প্রতীক, ইসলামী আন্দোলন প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান হাতপাখা প্রতীক, গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. রবিউল হাসান ট্রাক প্রতীক পেয়েছেন।

প্রচারণার ক্ষেত্রে যাতে কোথাও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেজন্য বিপুল সংখ্যক আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যসহ ২০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ৪ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন।

ইএইচ