চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে ‘হ্যাঁ-না’ ভোট নিয়ে বিরোধের জেরে ছুরিকাঘাতে সাকিব (২৫) নামে এক যুবক গুরুতর আহত হয়েছেন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
শুক্রবার রাত ১০টার দিকে উপজেলার গোবিন্দপুর উত্তর ইউনিয়নের চরমথুরা এলাকার মোল্লা বাড়ির সামনে এ ঘটনা ঘটে। আহত সাকিব ইউসুফ বাবুল মাস্টারের ছেলে।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, একই বাড়ির অটোরিকশাচালক তারেকের অটোরিকশা ভাড়া করে সাকিব দাওয়াতে যান। ফেরার পথে চলমান জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে ‘হ্যাঁ-না’ ভোট নিয়ে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে সাকিব তারেককে চড় মারেন। এ ঘটনার জের ধরে বিকেলে সাকিবের সাথে তারেক ও তার ভাই ইসমাইলের বাকবিতণ্ডা হয়।
পরে রাতের দিকে কাউসার মোল্লার ঘরের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় সাকিবকে একা পেয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করা হয়।
গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে ফরিদগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেন। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে চাঁদপুর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।
পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। অভিযুক্ত তারেক ও ইসমাইল ওই এলাকার আহছান মোল্লার ছেলে।
এদিকে শনিবার ৩১ জানুয়ারি সকালে ফরিদগঞ্জে এক নির্বাচনী জনসভায় জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী দাবি করেন, আহত সাকিব তাদের দলের কর্মী এবং রাজনৈতিক কারণে তার ওপর হামলা হয়েছে। তবে সাকিবের পরিবার এ দাবি নাকচ করেছে।
সাকিবের মা শাহানারা বেগম বলেন, ‘হ্যাঁ-না ভোট নিয়ে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে আমার ছেলে তারেককে চড় দেয়। পরে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা হয়। কিন্তু রাতে আমার ছেলের ওপর হামলা চালানো হয়। তার গলায় দুটি ও পেটে একটি ছুরিকাঘাত করা হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, তার ছেলে কোনো রাজনৈতিক দলের সাথে জড়িত নয়। সাকিব ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পড়াশোনা করেছেন।
ফরিদগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হেলাল উদ্দিন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। অভিযুক্তরা পলাতক রয়েছে এবং তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি।
ফরিদগঞ্জে ‘হ্যাঁ-না’ ভোট নিয়ে বিরোধে যুবককে ছুরিকাঘাত
শিমুল হাছান, ফরিদগঞ্জ (চাঁদপুর) প্রতিনিধি
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে ‘হ্যাঁ-না’ ভোট নিয়ে বিরোধের জেরে ছুরিকাঘাতে সাকিব (২৫) নামে এক যুবক গুরুতর আহত হয়েছেন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। শুক্রবার ৩০ জানুয়ারি রাত ১০টার দিকে উপজেলার গোবিন্দপুর উত্তর ইউনিয়নের চরমথুরা এলাকার মোল্লা বাড়ির সামনে এ ঘটনা ঘটে। আহত সাকিব ইউসুফ বাবুল মাস্টারের ছেলে।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, একই বাড়ির অটোরিকশাচালক তারেকের অটোরিকশা ভাড়া করে সাকিব দাওয়াতে যান। ফেরার পথে চলমান জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে ‘হ্যাঁ-না’ ভোট নিয়ে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে সাকিব তারেককে চড় মারেন। এ ঘটনার জের ধরে বিকেলে সাকিবের সাথে তারেক ও তার ভাই ইসমাইলের বাকবিতণ্ডা হয়। পরে রাতের দিকে কাউসার মোল্লার ঘরের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় সাকিবকে একা পেয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করা হয়।
গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে ফরিদগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেন। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে চাঁদপুর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। অভিযুক্ত তারেক ও ইসমাইল ওই এলাকার আহছান মোল্লার ছেলে।
এদিকে শনিবার ৩১ জানুয়ারি সকালে ফরিদগঞ্জে এক নির্বাচনী জনসভায় জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী দাবি করেন, আহত সাকিব তাদের দলের কর্মী এবং রাজনৈতিক কারণে তার ওপর হামলা হয়েছে। তবে সাকিবের পরিবার এ দাবি নাকচ করেছে।
সাকিবের মা শাহানারা বেগম বলেন, ‘হ্যাঁ-না ভোট নিয়ে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে আমার ছেলে তারেককে চড় দেয়। পরে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা হয়। কিন্তু রাতে আমার ছেলের ওপর হামলা চালানো হয়। তার গলায় দুটি ও পেটে একটি ছুরিকাঘাত করা হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, তার ছেলে কোনো রাজনৈতিক দলের সাথে জড়িত নয়। সাকিব ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পড়াশোনা করেছেন।
ফরিদগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হেলাল উদ্দিন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। অভিযুক্তরা পলাতক রয়েছে এবং তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি।
ইএইচ
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন