জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্যসচিব ও রংপুর-৪ (কাউনিয়া ও পীরগাছা) আসনে ১১ দল সমর্থিত শাপলা কলি প্রতীকের প্রার্থী আখতার হোসেন বলেছেন, ‘প্রশাসনের ভাইয়েরা সবার সাথে সমান আচরণ করুন। তারেক রহমানের সাথে এক আচরণ আর অন্য প্রার্থীর সাথে আরেক আচরণ আমরা মেনে নেব না, প্রতিবাদ করব।’
রোববার রাতে রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার হারাগাছ পৌর শহরের স্থানীয় স্কুল মাঠে নির্বাচনী জনসভায় এসব কথা বলেন তিনি।
আখতার হোসেন অভিযোগ করে বলেন, ‘২০১৮ ও ২০২৪ সালে ভোট হলেও সেগুলো প্রকৃত ভোট ছিল না। অনেক ব্যস্ততার কারণে নিজ এলাকায় ভোটার স্থানান্তর করতে পারিনি। শেষ সময়ে নির্বাচন কমিশনকে অনেক অনুরোধ করলেও তারা আমার কথা রাখল না। অথচ তারেক রহমান দেশে এসে একদিনে জাতীয় পরিচয়পত্র পেয়ে গেলেন। আমি শাপলা কলি প্রতীকে নিজের ভোটটি দিতে চেয়েছিলাম, কিন্তু তারা আমাকে বঞ্চিত করল। কাউনিয়া ও পীরগাছার মানুষ ভোটের মাধ্যমে এ বঞ্চনার জবাব দেবে।’
হারাগাছের শিল্পপতিদের সমালোচনা করে তিনি বলেন, এখানে যাকাতের শাড়ি-লুঙ্গি দেওয়া হয়। আমি চ্যালেঞ্জ করে বলছি, ওই টাকা যাকাতের নয়; ওটা শ্রমিকের হাড়ভাঙা খাটুনি ও সরকারকে ট্যাক্স ফাঁকি দেওয়া টাকা। যদি কোনো ব্যবসায়ী এ কথা মিথ্যা প্রমাণ করতে পারেন, তবে আমি নির্বাচন থেকে ইস্তফা দেব।
নির্বাচিত হলে হারাগাছকে মডেল পৌরসভা করার ঘোষণা দিয়ে আখতার হোসেন বলেন, শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি ও বাধ্যতামূলক স্বাস্থ্যবীমা নিশ্চিত করা হবে। এ ছাড়া যুবকদের আইটি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ করে তোলা এবং বিদেশ যাত্রাকে সহজ করার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
হাদি হত্যা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘হাদি ভাই হত্যার বিচার করতে হবে। খুনিরা যেখানেই থাকুক, তাদের গর্ত থেকে বের করে নিয়ে আসা হবে।’
হারাগাছ পৌর জামায়াতের সভাপতি আইনুল ইসলাম বিডিআরের সভাপতিত্বে জনসভায় আরও বক্তব্য দেন, মহানগর জামায়াতের আমির উপাধ্যক্ষ এটিএম আজম খান, উপজেলা জামায়াতের আমির আব্দুস সালাম সরকার ও শিবিরের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক মোশারফ হোসেন প্রমুখ।
ইএইচ
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন