ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী ও গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি অভিযোগ করেছেন যে, জনগণের ভোটের ওপর আস্থা না রেখে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে ফলাফল পাল্টে দেওয়ার চেষ্টা চলছে।
বুধবার বিকেলে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার আমেনা প্লাজায় এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
জোনায়েদ সাকি বলেন, ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে দীর্ঘ লড়াইয়ের পর দেশে একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু দুঃখজনকভাবে পুরোনো রাজনৈতিক কৌশলের আশ্রয় নেওয়া হচ্ছে। অনুপস্থিত ভোটারের নামে ভোট দেওয়া, একই ব্যক্তির একাধিকবার ভোট প্রদান এবং নৈরাজ্য সৃষ্টির মাধ্যমে ভোটারদের আতঙ্কিত করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।
তিনি বিশেষভাবে জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের সমালোচনা করে বলেন, বিভিন্ন স্থানে জামায়াত নেতারা বাঁশের লাঠি নিয়ে কেন্দ্রে উপস্থিত হওয়ার ডাক দিচ্ছেন। এটি নির্বাচনী আচরণবিধির স্পষ্ট লঙ্ঘন এবং সাধারণ ভোটারদের মনে আতঙ্ক সৃষ্টির অপচেষ্টা। কোনো বিশেষ রাজনৈতিক পক্ষ যেন পেশিশক্তির জোরে কেন্দ্র দখল করতে না পারে, সেদিকে লক্ষ্য রাখার আহ্বান জানান তিনি।
প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে এই নেতা বলেন, প্রিজাইডিং অফিসারদের তালিকায় বেশ কিছু অসংগতি পাওয়া গেছে। অনেক কর্মকর্তা সরাসরি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত এবং তাদের নিজেদের নির্বাচনী এলাকায় নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে ইতিমধ্যে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান।
পরিশেষে জোনায়েদ সাকি প্রশাসনকে নিরপেক্ষ থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ভোট ব্যবস্থা বাংলাদেশের অস্তিত্বের সঙ্গে জড়িত। কোনো ধরনের পক্ষপাতমূলক আচরণ বা ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং এদেশের জনগণ মেনে নেবে না। ভোটাররা যেন নির্বিঘ্নে তাদের রায় দিতে পারেন, তা নিশ্চিত করা প্রশাসনের পবিত্র দায়িত্ব।
জেএইচআর
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন