ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলায় সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার সকাল সোয়া ৮টায় উপজেলার ডহরশংকর এলাকার দারুস-সুন্নাহ ঈদগাহ মাঠে এ নামাজ আদায় করা হয়।
একই জামাতে প্রায় দেড় শতাধিক নারী-পুরুষ অংশ নেন। পুরুষদের পাশাপাশি নারীরাও আলাদা তাবুর ভেতর থেকে একই জামাতে ঈদের নামাজ আদায় করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২০ সাল থেকে ডহরশংকর গ্রামের প্রায় ৪০ থেকে ৪৫টি পরিবার সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ধর্মীয় কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন। প্রতি বছর ঈদুল ফিতরের নামাজে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করেন। নামাজ শেষে মুসল্লিদের মধ্যে তবারক বিতরণ করা হয়।
দারুস-সুন্নাহ ঈদগাহ মাঠের সভাপতি মো. রিপন হাওলাদার বলেন, পূর্বপুরুষদের দেখানো পথে চলতে গিয়ে আমরা বুঝতে পারি, আমরা সঠিক পথে নেই। পরে সঠিক পথের সন্ধান পেয়ে ২০১৩ সালে তিনটি পরিবার নিয়ে নবী করিম (সা.)-এর সুন্নাহ অনুযায়ী জীবনযাপন শুরু করি।
২০২০ সাল থেকে এলাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করি এবং প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করি। শুরুতে নানা বাধা থাকলেও বর্তমানে আর কোনো সমস্যা নেই। দিন দিন আমাদের সংখ্যা বাড়ছে। আশপাশের উপজেলা থেকেও অনেকে এখানে নামাজে অংশ নিতে আসেন।
ঈদগাহ মাঠের ইমাম ও খতিব মাওলানা আমিনুর ইসলাম বলেন, তারিকা বলতে আমরা নবী করিম (সা.)-এর তরিকাকেই বুঝি। কোরআন ও সহিহ হাদিস অনুযায়ী যে আমল পাওয়া যায়, আমরা তা অনুসরণ করার চেষ্টা করি। সহিহ হাদিস অনুযায়ী সারা বিশ্বের সঙ্গে মিল রেখে একই দিনে প্রথম চাঁদ দেখে ঈদ উদযাপন করেছি।
নবী করিম (সা.) বলেছেন, যদি দুই ব্যক্তি নতুন চাঁদ দেখার সাক্ষ্য দেয়, তবে সিয়াম ও ঈদ পালন করো। এখানে নির্দিষ্ট কোনো দেশের কথা বলা হয়নি। সেই হাদিসের ভিত্তিতেই আমরা চাঁদ দেখার সংবাদ পেয়ে ঈদের নামাজ আদায় করেছি।
জেএইচআর
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন