শেরপুরের নকলা উপজেলার বেনীরগোপ গ্রাম ভোগাই নদীর তীব্র ভাঙনে অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে। পাহাড়ি ঢল ও অবৈধ বালু উত্তোলনের প্রভাবে প্রতিবছর নদীর তীর ভেঙে বসতভিটা, আবাদি জমি ও মসজিদসহ বিভিন্ন স্থাপনা নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গত কয়েক বছরে গ্রামের পূর্ব তীরের অন্তত ৫০০ মিটার এলাকা নদীতে হারিয়ে গেছে। ভাঙনের কবলে পড়ে ইতিমধ্যে অনেক পরিবার নিঃস্ব হয়ে পড়েছে। ভুক্তভোগী আব্দুল ওয়াদুদ ও হাবিবুর রহমান জানান, দ্রুত স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ না হলে পুরো গ্রাম মানচিত্র থেকে হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
নকলা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন শামীম জানান, সীমিত বরাদ্দে কিছু অস্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হলেও স্থায়ী সমাধানের জন্য বড় প্রকল্প প্রয়োজন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করে পানি উন্নয়ন বোর্ডকে জানানো হয়েছে। বিষয়টি জেলা উন্নয়ন সমন্বয় সভায়ও উপস্থাপন করা হয়েছে।
এদিকে, ভোগাই নদীর ভাঙন রোধে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়ে জাতীয় সংসদে বক্তব্য রেখেছেন শেরপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য ফাহিম চৌধুরী। এলাকাবাসীর আশঙ্কা, আসন্ন বর্ষার আগে কার্যকর উদ্যোগ না নিলে আরও বিস্তীর্ণ এলাকা নদীগর্ভে তলিয়ে যেতে পারে।
জেএইচআর
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন