শিশুদের মানসিক ট্রমা মোকাবিলায় গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে কর্মশালা অনুষ্ঠিত

ঝালকাঠি প্রতিনিধি  প্রকাশিত: জুন ২৩, ২০২৬, ১২:০৫ এএম
শিশুদের মানসিক ট্রমা মোকাবিলায় গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে কর্মশালা অনুষ্ঠিত

শিশুদের মানসিক ট্রমা মোকাবিলায় গণমাধ্যমের দায়িত্বশীল ভূমিকা এবং নিরাপদ মিডিয়া ব্যবহারের বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে দিনব্যাপী একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার সকালে রাজধানীর জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটে (এনআইএমসি) তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন এসআইবিই-এনআইএমসি প্রকল্পের অধীনে ‘শিশুদের মানসিক ট্রমা মোকাবিলায় গণমাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। কর্মশালাটি আয়োজন করে এনআইএমসির ‘সম্প্রচার পরিবেশের উন্নয়নে সহায়তা প্রকল্প’।

কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ও অতিরিক্ত সচিব মুহম্মদ হিরুজ্জামান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানের অতিরিক্ত মহাপরিচালক রওনক জাহান, পরিচালক (প্রশাসন ও উন্নয়ন) মোসাম্মৎ রহিমা আক্তার, পরিচালক (প্রশিক্ষণ ও অনুবীক্ষণ) ড. মো. মারুফ নাওয়াজ এবং পরিচালক (প্রশিক্ষণ প্রকৌশল) পারভীন সুলতানা রাব্বী। কর্মশালায় সম্পদব্যক্তি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডা. এম এস জহিরুল হক চৌধুরী। এছাড়া অনলাইনে যুক্ত হয়ে বক্তব্য দেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব (পরিকল্পনা) মুহাম্মদ জহুরুল ইসলাম।

কর্মশালায় দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার প্রতিনিধিদের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।

বক্তারা বলেন, মানসিক ট্রমা হলো এমন একটি মানসিক অবস্থা, যা কোনো ভয়াবহ বা উদ্বেগজনক ঘটনার ফলে সৃষ্টি হয়। বর্তমানে কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের হার দ্রুত বাড়ছে। এর ফলে বিভিন্ন ধরনের মানসিক চাপ ও ট্রমার ঝুঁকিও বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে শিশুদের মিডিয়া ব্যবহারে অভিভাবকদের তত্ত্বাবধান নিশ্চিত করা এবং অনলাইন নিরাপত্তা বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানো জরুরি। পাশাপাশি পরিবার ও শিক্ষকদেরও এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে মহাপরিচালক মুহম্মদ হিরুজ্জামান বলেন, তথ্যপ্রযুক্তি ও তথ্যের অবাধ প্রবাহের এই সময়ে শিশুদের নিরাপদ মিডিয়া ব্যবহারের জন্য কার্যকর নির্দেশিকা প্রণয়ন এবং তার যথাযথ বাস্তবায়ন প্রয়োজন। তিনি শিশুদের শিক্ষা ও মানসিক বিকাশে ইতিবাচক গণমাধ্যম চর্চার গুরুত্ব তুলে ধরেন। কর্মশালা শেষে প্রশিক্ষনার্থীদের মধ্যে সনদ বিতরণ করা হয়।

জেএইচআর