বরিশালের আগৈলঝাড়ায় সড়কের পাশের তিনটি সরকারি গাছ অবৈধভাবে কাটার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপ করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নিরুপম মজুমদার। তাঁর নির্দেশে বন বিভাগের মাধ্যমে গাছ কাটা বন্ধ করা হয়।
সরেজমিনে দেখা যায়, তিনটি গাছের মধ্যে দুটি বড় চাম্বল গাছ ইতোমধ্যে কেটে ফেলা হয়েছে। অপর একটি রেইনট্রি গাছ কাটার কাজ চলছিল।
স্থানীয়দের ভাষ্য, রোববার সকালে উপজেলার উত্তর শিহিপাশা গ্রামের বাসিন্দা জলিল বয়াতী গৈলা ইউনিয়নের গুপ্তেরহাট-কুমারভাঙ্গা সড়কের পাশের তিনটি গাছ স্থানীয় ব্যবসায়ী সোহরাব সিকদারের কাছে ২২ হাজার টাকায় বিক্রি করেন। পরে শ্রমিকরা দুটি চাম্বল গাছ কেটে ফেলেন এবং রেইনট্রি গাছ কাটার কাজ শুরু করেন।
এ সময় স্থানীয়রা বিষয়টি ইউএনও নিরুপম মজুমদারকে জানালে তিনি দ্রুত বন বিভাগকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। এরপর গাছ কাটা বন্ধ করা হয়।
অভিযোগের বিষয়ে জলিল বয়াতী দাবি করেন, জায়গাটি সরকারি হলেও গাছগুলো তাঁদের লাগানো। এ বিষয়ে বন বিভাগের সঙ্গেও তাঁদের কথা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিরুপম মজুমদার বলেন, সরকারি জায়গার গাছ এভাবে কাটার কোনো সুযোগ নেই। খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই গাছ কাটা বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এম জি
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন