তাদের গানে মুগ্ধ দর্শক-শ্রোতা

বিনোদন প্রতিবেদক প্রকাশিত: নভেম্বর ৯, ২০২২, ০১:৪৯ এএম
তাদের গানে মুগ্ধ  দর্শক-শ্রোতা

উপমহাদেশের প্রখ্যাত গীতিকবি, চলচ্চিত্র প্রযোজক, পরিচালক, কাহিনিকার গাজী মাজহারুল আনোয়ার স্মরণে গেলো ৭ নভেম্বর রাজধানীর বেইলি রোডের বাংলাদেশ মহিলা সমিতির ড. নীলিমা ইব্রাহিম মিলনায়তনে স্মৃতিচারণ ও গানে গানে শ্রদ্ধাঞ্জলি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

তারানা সাংস্কৃতিক বিকাশ কেন্দ্রের আয়োজনে ‘তুমি রবে নীরবে, হূদয়ে মম’ অনুষ্ঠানে উপস্থাপনা করেন অধরা জাহান ও পারভীন আহমেদ। স্মৃতিচারণের পরপরই মূলত গানে গানে শ্রদ্ধাঞ্জলি জানানো হয়েছে গাজী মাজহারুল আনোয়ারকে।

বাংলাদেশের কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী খুরশীদ আলমও এ অনুষ্ঠানে স্মৃতিচারণে অংশ নেন এবং সংগীত পরিবেশন করেন। এ প্রজন্মের সংগীতশিল্পী চম্পা বণিকও গাজী মাজহারুল আনোয়ারের লেখা গানই পরিবেশন করেন।

নানানজনের সংগীত পরিবেশনের একটি পর্বে মঞ্চে উঠে গাজী মাজহারুল আনোয়ারের লেখা অভিনেতা আনোয়ার হোসেনের লিপে যাওয়া সৈয়দ আব্দুল হাদীর গাওয়া (আলাউদ্দিন আলীর সুর-সংগীতে) ‘আছেন আমার মুক্তার, আছেন আমার ব্যারিস্টার’ গানটি পরিবেশন করেন দিঠি আনোয়ার ও অপু আমান। দিঠি আনোয়ার গাজী মাজহারুল আনোয়ারের কন্যা। সংগীত পরিবারেই তার জন্ম ও বেড়ে ওঠা।

অন্যদিকে অপু এ প্রজন্মের অন্যতম গুণী সংগীতশিল্পী। দুজনের কণ্ঠে ‘আছেন আমার মুক্তার, আছেন আমার ব্যারিস্টার’ গানটি যখন হলভর্তি দর্শক উপভোগ করছিলেন, ঠিক সে সময় এই গানের মাঝখানে এসে তাদের কণ্ঠে কণ্ঠ মেলান এ প্রজন্মের আরেক নন্দিত সংগীতশিল্পী ইউসুফ আহমেদ খান। তিনজন যখন একই গান পরিবেশন করছিলেন, তখন সব মিলিয়ে গানটি যেন এক অনন্যরূপ ধারণ করে।

যন্ত্রশিল্পীদের দারুণ ছন্দে-তালে গানটি যেন নতুন এক প্রাণ পায়। গান শেষে দর্শকের হাততালিতে মুগ্ধ হন দিঠি, অপু ও ইউসুফ। আবার অনুপমা মুক্তির কণ্ঠে শোনা যায় গাজী মাজহারুল আনোয়ারের লেখা আনোয়ার পারভেজের সুর করা রুনা লায়লার গাওয়া ‘একা একা কেন ভালো লাগে না’।

গানটিতে মুক্তির মিষ্টি কণ্ঠের সুরেলা উপস্থাপন দর্শককে মুগ্ধ করে। অনুষ্ঠানে গাজী মাজহারুল আনোয়ারের ছেলে উপলও অংশগ্রহণ করেছিলেন। তার উপস্থিতি সবাইকে প্রাণবন্ত রেখেছে অনুষ্ঠানের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত।

দিঠি আনোয়ার বলেন, ‘আব্বুর স্মরণে, আব্বুর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সবাই যেভাবে স্মৃতিচারণ করেছেন এবং গানে গানে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন— সেটা আমাদের পরিবারের জন্য এক পরম ভালো লাগা। এ আয়োজনের জন্য তারানা সাংস্কৃতিক বিকাশ কেন্দ্রের সভাপতি আতিক বাবু ভাইয়ের কাছে বিশেষভাবে কৃতজ্ঞ। আর শিল্পী যারা অংশগ্রহণ করেছেন, তাদের প্রতিও আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা।’