আবারও হিরো আলমের নামে নতুন অভিযোগ পাওয়া গেল। অভিযোগটি করেছেন এফডিসির শাহীন। শতাধিক ছবিতে পুলিশের চরিত্রে কাজ করতে দেখা গেছে তাকে। সম্প্রতি হিরো আলমের একটি সিনেমায় প্রতিদিন ১ হাজার টাকার করে ৬ দিনের শুটিং করিয়ে টাকা পরিশোধ না করে শুটিং থেকে বগুড়ায় নির্বাচন করতে গেছেন বলে দাবি করেন এফডিসির শাহীন।
তার ভাষ্যে, , ‘ভাইরে কি বলবো দুঃখের কথা সিনেমার মানুষ যে এতো খারাপ কত গুলো পার্টির কাজ করেছি টাকা বাকি প্রায় ৫০০০০ হাজার। গত মাসে হিরো আলমের দুই সিনেমার শুটিং এ পুলিশের অভিনয় সহ ফাইট করেছি ৬ দিন প্রতিদিন এক হাজার করে হলেও ৬০০০ টাকা বাকি আলম কে ফোন দিলে কয় নির্বাচন নিয়ে ব্যস্ত। এখন আর ফোন ধরছেন না।’
এছাড়াও তিনি বলেছেন, ‘বগুড়ায় জেলায় ‘কিলহিম’ সিনেমার পুলিশের অভিনয়ে শুটিং করছিলাম সেখানে ৫০০০ টাকা বাকি ফোন দিলে কয় টাকা পরে দেবে। দের মাস আগে পিচ্চি সোহেলের সিনেমা ‘তোর কারনে’ এতে পুলিশের অভিনয় করেছিলাম সেখানে ৫০০০ টাকা বাকি আর এক জায়গায় কাজের ৩০০০ টাকা বাকি আরো ছোট দুই একদিনের কাজের টাকা ও বাকি কি যে একটা সমস্যার মধ্যে দিনযাপন করছি। বাড়িতে বাবা মা অসুস্থ গত দুই মাস আগে লসে বাড়ির করার ভিটে জমি বিক্রি করে বাবার হার্টের অপারেশন বুকে রিং বসাতে হয়েছে আমিও প্রায় তিনমাস যাবত টাকার অভাবে বাড়ি যেতে পারছিনা বাড়িতে ছোট ছেলে মেয়ে কান্না কাটি করছে কি যে করবো বলেন তো বড় ভাই।’
এদিকে মানুষের শুটিংয়ের টাকা বাকি রেখে নির্বাচন করতে গেছে হিরো আলম। ফোন দিলেই তাকে নির্বাচনের তালবাহানা করতে দেখা গেছে। এমবস্থায় আইনি পদক্ষেপ নেয়ার কথা জানিয়েছেন শাহীন। তিনি এছাড়াও বলেন, ‘টাকার অভাবে যদি বাবাকে বাঁচাতে না পারি। পরে আর টাকা দিয়ে কি করব। হিরো আলমের থেকে টাকা তুলতে একাধিক লোকের সাহায্যে চাইতে দেখা গেছে তাকে।’
অন্যদিকে একাধিক লোকের পাওনা টাকা না দিয়ে হিরো আলমকে বগুড়ায় দুই আসনে নির্বাচনের প্রচার করতে দেখা গেছে। এমনকি নানানভাবে আলোচনায় থেকে ইউটিউবে ইনকাম করার পায়তারা করছেন তিনি। তাছাড়া নির্বাচনে থেকে নানান বিষয়ে আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিচ্ছেন এই নামধারী হিরো ওরফে আশরাফুল আলম।আসলে এই শেষ কোথায়? সেটি শুধু প্রশ্ন??
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন