ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র এবং ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরীফ ওসমান বিন হাদির (ওসমান হাদি) শাহাদাতের খবর এখন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রধান শিরোনামে জায়গা করে নিয়েছে।
সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যুর খবর এবং তৎপরবর্তী বাংলাদেশে ছড়িয়ে পড়া অস্থিরতা নিয়ে প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যমগুলো বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান তাদের শিরোনামে লিখেছে, ‘বাংলাদেশে গণতন্ত্রপন্থি নেতার হাসপাতালে মৃত্যুর পর সহিংস বিক্ষোভ’।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ২০২৪ সালের আন্দোলনের এই তরুণ নেতার মৃত্যুর পর হাজার হাজার বিক্ষোভকারী ঢাকার রাস্তায় নেমে খুনিদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছে।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা তাদের প্রতিবেদনে জানিয়েছে, সিঙ্গাপুর সরকারের পক্ষ থেকে হাদির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে এবং জুলাই আন্দোলনের অন্যতম এই নেতার ওপর গত ১২ ডিসেম্বর ঘাতক দল প্রাণঘাতী হামলা চালিয়েছিল।
সিঙ্গাপুরের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে হাদির মৃত্যুর বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করে জানায়, চিকিৎসকদের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা সত্ত্বেও হাদি তাঁর আঘাতের কারণে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ভারতের সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দু তাদের শিরোনামে লিখেছে, ‘হাদির মৃত্যুর পর বাংলাদেশে শোকের ছায়া’।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, বাংলাদেশ সরকার শনিবার রাষ্ট্রীয় শোক পালনের ঘোষণা দিয়েছে এবং শুক্রবার সকল উপাসনালয়ে তাঁর জন্য বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হয়েছে।
এ ছাড়া পাকিস্তানের ডন, তুরস্কের টিআরটি ওয়ার্ল্ড, ভারতের এনডিটিভি, জার্মানির ডয়েচে ভেলে, মালয়েশিয়ার বারনামা এবং ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসিসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক আউটলেটে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি গুরুত্বের সাথে তুলে ধরা হয়েছে। বিশ্ব গণমাধ্যমগুলো এই তরুণ নেতার প্রয়াণকে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের জন্য এক বড় ক্ষতি হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
ইএইচ
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন