জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শহীদরা ন্যায়বিচার পেয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।
সোমবার দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি এ মন্তব্য করেন।
অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, “শহীদরা ন্যায়বিচার পেয়েছে, রাষ্ট্র ন্যায়বিচার পেয়েছে এবং প্রসিকিউশন পক্ষও ন্যায়বিচার পেয়েছে। এই মামলায় দুজন আসামিকে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দেওয়ায় ন্যায়বিচারের মানদণ্ড প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আর একজন আসামি রাজসাক্ষী হিসেবে আত্মসমর্পণ করেছেন, তাকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এটি শহীদদের, দেশের মানুষ এবং সংবিধান ও আইনের শাসনের প্রতি দায়বদ্ধতার স্বার্থে যুগান্তকারী রায়। এই রায় ভবিষ্যতের জন্য একটি শক্তিশালী বার্তা এবং আইনের শাসনের ক্ষেত্রে মাইলফলক হয়ে থাকবে।”
রায়ের বিবরণ অনুযায়ী, চব্বিশের জুলাই–অগাস্ট গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধে তিন আসামির অপরাধ প্রমাণিত হয়েছে। শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দুটি অভিযোগে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামালকেও একটি অভিযোগে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আর পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনকে রাজসাক্ষী হওয়ায় পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে রায়ের কার্যক্রম শুরু হয়। ৪৫৩ পৃষ্ঠার রায়টি ছয়টি অধ্যায়ে ভাগ করা হয়েছে এবং দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত তা ঘোষণা করে। অ্যাটর্নি জেনারেল রায়কে শুধু শহীদদের প্রতি ন্যায়বিচার হিসেবেই নয়, দেশের গণতন্ত্র এবং আইনের শাসনের ক্ষেত্রে একটি যুগান্তকারী রায় হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
ইএইচ
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন