বিএনপির চেয়ারম্যান বর্তমানে কীভাবে জীবিকা নির্বাহ করছেন এবং তার বিশাল শোডাউন, ব্যক্তিগত আয়ের উৎস ও নিরাপত্তার বিপুল অর্থ কোথা থেকে আসছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ।
সোমবার রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক দীর্ঘ ভিডিও-বার্তায় তিনি এসব বিষয়ে প্রশ্ন তোলেন।
তিনি বলেন, এর আগে যখন ছাত্রনেতাদের নিরাপত্তা নিয়ে টকশোতে আলোচনা হয়েছিল, তখন একপক্ষীয় সমালোচনা দেখা গেছে। কিন্তু এখন তারেক রহমানের বিশাল গাড়ি বহর ও তেলের টাকা কোথা থেকে আসছে, তা নিয়ে কেন প্রশ্ন উঠছে না
ঢাকা-১৭ আসনে তারেক রহমানের নির্বাচনি মিডিয়া কমিটিতে ৪৯ জন পেশাদার সাংবাদিক অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টিও কঠোরভাবে সমালোচনা করেন হাসনাত।
তিনি প্রশ্ন তোলেন, সাংবাদিকরা যখন কোনও সুনির্দিষ্ট দলের প্যাডে নাম লেখাচ্ছেন, তখন তাদের নিরপেক্ষতা কি প্রশ্নবিদ্ধ হয় না? ওই ৪৯ জন সাংবাদিক কি বিএনপির কর্মী হিসেবে কাজ করবেন নাকি নিরপেক্ষ পর্যবেক্ষক হিসেবে? তারা কি নির্বাচন কমিশন থেকে কার্ড নেবেন নাকি বিএনপির কার্ড নিয়ে কাজ করবেন— তা স্পষ্ট করা জরুরি।
তিনি এ ঘটনাকে সাংবাদিকতার জন্য একটি ‘নেতিবাচক দৃষ্টান্ত’ বলে উল্লেখ করেন।
একই সঙ্গে তিনি বিগত সরকারের সুবিধাভোগী কিছু সংবাদমাধ্যমের ভূমিকার সমালোচনা করে বলেন, যারা দীর্ঘদিন তারেক রহমানকে ‘ভারতের চর’ বা ‘পলাতক ষড়যন্ত্রকারী’ হিসেবে উপস্থাপন করেছে, তারাই এখন আবার তার ঘনিষ্ঠ হওয়ার প্রতিযোগিতায় নেমেছে।
হাসানাত আবদুল্লাহ বলেন, জুলাই বিপ্লবের কর্মীদের বিরুদ্ধে যারা চরিত্র হননের চেষ্টা করেছে, তারাই এখন নতুন করে সাংবাদিকতার কার্ড বানানোর উদ্যোগ নিচ্ছে।
শেষে সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, গত দেড় বছর ধরে আমাদের নিয়ে যেভাবে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, ঠিক একইভাবে তারেক রহমানের অর্থের উৎস ও ব্যয় নিয়েও প্রশ্ন করা হোক। যদি প্রশ্ন তোলার ক্ষেত্রে বাছাই বা পক্ষপাত থাকে, তাহলে নিরপেক্ষ সাংবাদিকতা প্রশ্নবিদ্ধ হবেই।
এএন
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন