প্রধানমন্ত্রী জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করেছেন। এ নীতির আলোকে আমরা দেশের জনগণকে সঙ্গে নিয়ে এক সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদ দমনে ঈর্ষণীয় সাফল্য অর্জন করেছি। ইন্টারন্যাশনাল গ্লোবাল টেররিজম ইনডেক্সে বাংলাদেশ পূর্বে যে অবস্থানে ছিল তার চেয়ে বর্তমানে ভালো অবস্থানে আছে। আমরা সবাই মিলে কাজ করার ফলেই এ সফলতা এসেছে।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর মেরুল বাড্ডায় আন্তর্জাতিক বৌদ্ধবিহারে বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন, পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন।
আইজিপি বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যখনই কোনো ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড ঘটছে, সে বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। সেখানে ঘটে যাওয়া প্রতিটি ঘটনায় আমাদের সাফল্য রয়েছে। অপরাধী যেই হোক, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
এর আগে আইজিপি বৌদ্ধ বিহারে পৌঁছালে বৌদ্ধ ধর্মীয় নেতারা তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। তিনি একটি কেক কেটে সবার সঙ্গে বুদ্ধ পূর্ণিমার শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন ডিএমপি কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুক।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, বুদ্ধদেব আজ থেকে প্রায় ২৬০০ বছর পূর্বে এই ধরাধামে এসেছিলেন। এ পৃথিবী থেকে দুঃখ-কষ্ট-জরা-ব্যথা দূর করার জন্য, আমাদের মাঝে বিভেদ দূর করার জন্য, আন্তঃধর্মীয় বিভেদ দূর করার জন্য, সমস্ত বর্ণের লোককে একত্র করার জন্য মহাবাণী তিনি নিয়ে এসেছিলেন। আমি মনে করি বর্তমান পৃথিবীতে যে হানাহানি, রক্তক্ষয় ও হিংসা-বিদ্বেষ তা দূর করতে হলে বুদ্ধদেবের অমর বাণী ও আদর্শ বড় প্রয়োজন।
আরএস
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন