এক্সপ্রেসওয়ের নিচে সবুজায়নে সেতু কর্তৃপক্ষ–ডিএনসিসি চুক্তি

আমার সংবাদ ডেস্ক প্রকাশিত: অক্টোবর ২৮, ২০২৫, ০৬:১১ পিএম
এক্সপ্রেসওয়ের নিচে সবুজায়নে সেতু কর্তৃপক্ষ–ডিএনসিসি চুক্তি

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিচে অব্যবহৃত জায়গাগুলোকে সবুজায়ন ও নাগরিকবান্ধব গণপরিসরে রূপ দিতে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ ও ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) মধ্যে একটি দ্বিপাক্ষিক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।

মঙ্গলবার বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের সম্মেলন কক্ষে এই চুক্তি স্বাক্ষর হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডিএনসিসির প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ এবং সভাপতিত্ব করেন সেতু বিভাগের সচিব ও সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুর রউফ। চুক্তিতে সেতু কর্তৃপক্ষের পক্ষে পরিচালক (প্রশাসন) ও যুগ্মসচিব আলতাফ হোসেন সেখ এবং ডিএনসিসির পক্ষে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান স্বাক্ষর করেন।

চুক্তি অনুযায়ী, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিচের অব্যবহৃত স্থানগুলো পরিকল্পিতভাবে উন্নয়ন করে বৃক্ষরোপণ, নান্দনিক বাগান, পথচারীদের হাঁটার পথ (ওয়াকওয়ে), সাইকেল লেন, বসার স্থান, খেলাধুলা ও বিনোদনের ব্যবস্থা, আর্ট কর্ণার এবং উন্মুক্ত গণপরিসর তৈরি করা হবে।

প্রধান অতিথি মোহাম্মদ এজাজ বলেন, “এই উদ্যোগের মাধ্যমে ঢাকাবাসীর জন্য নতুন প্রাণচাঞ্চল্য সৃষ্টি হবে। অব্যবহৃত জায়গাগুলো এখন নাগরিকদের বিশ্রাম ও বিনোদনের আধুনিক পরিসরে রূপ নেবে।”

সেতু বিভাগের সচিব মোহাম্মদ আবদুর রউফ বলেন, “এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে কেবল যান চলাচলের জন্য নয়, বরং এর নিচের স্থানগুলোকে নাগরিক কল্যাণমূলক কাজে ব্যবহার করাই আমাদের লক্ষ্য। এতে নগরজীবন আরও প্রাণবন্ত ও সুসংগঠিত হবে।”

চুক্তি বাস্তবায়নের মাধ্যমে নগরবাসীর জীবনমান উন্নয়ন, বায়ুদূষণ হ্রাস, সবুজ পরিবেশ সৃষ্টি ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় কার্বন নিঃসরণ কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়। কর্মকর্তারা বলেন, এই সমন্বিত উদ্যোগ টেকসই ও পরিবেশবান্ধব নগরায়ণের পথে বাংলাদেশের জন্য এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে।

জেএইচআর