আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ৯০ হাজার সেনা সদস্য মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে আড়াই হাজারের বেশি নৌবাহিনীর সদস্য এবং প্রয়োজনীয়সংখ্যক বিমানবাহিনীর সদস্যও মাঠে থাকবে বলে জানা গেছে।
শনিবার রাতে রাজধানীর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে তিন বাহিনীর প্রধানরা নির্বাচনের সার্বিক প্রস্তুতি সম্পর্কে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে অবহিত করেন। বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কঠোর প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দেন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, শান্তিপূর্ণ এবং উৎসবমুখর নির্বাচন আয়োজনের প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ। এ লক্ষ্যে সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর সদস্যদের সমন্বিত ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বৈঠকে জানানো হয়, প্রতিটি উপজেলায় এক কোম্পানি সেনা মোতায়েন থাকবে, যারা নির্বাচনকালে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করবে। পাশাপাশি জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর বিশেষ টিমও প্রস্তুত থাকবে।
প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় গত ১৫ মাস ধরে সেনাবাহিনীসহ অন্যান্য বাহিনীর কঠোর পরিশ্রমের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকা অনন্য। তাদের দায়িত্বশীল ও নিষ্ঠাবান কর্মপ্রয়াসের জন্য জাতি কৃতজ্ঞ।
বৈঠকে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান, বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান এবং জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় তিন বাহিনীর প্রধানরা আগামী ২১ নভেম্বর ‘সশস্ত্র বাহিনী দিবস’-এর আয়োজনে প্রধান উপদেষ্টাকে আমন্ত্রণ জানান।
জেএইচআর
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন