বিশ্ব মহাসাগর দিবসে মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মশালা

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: জুন ৯, ২০২৬, ০৪:০১ পিএম
বিশ্ব মহাসাগর দিবসে মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মশালা

বিশ্ব মহাসাগর দিবস-২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে মৎস্য অধিদপ্তরের উদ্যোগে ঢাকার প্রধান কার্যালয়ে একটি কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছে। 

মঙ্গলবার মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. খালেদ কনকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ কর্মশালায় অধিদপ্তরের পরিচালক, উপপরিচালকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

কর্মশালায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমুদ্রবিদ্যা বিভাগ, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সামুদ্রিক মৎস্যবিজ্ঞান বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সামুদ্রিক বিজ্ঞান ও মৎস্য ইনস্টিটিউট, বাংলাদেশ মেরিটাইম বিশ্ববিদ্যালয় এবং নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া জাইকা, আইইউসিএন বাংলাদেশ, ওয়ার্ল্ডফিশ এবং সামুদ্রিক মৎস্য আহরণকারী ট্রলার ও নৌযান মালিক সংগঠনের প্রতিনিধিরাও অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে মৎস্য অধিদপ্তরের ব্লু ইকোনমি শাখার উপপরিচালক ড. মুহাম্মদ তানভীর হোসেন চৌধুরী, সহকারী পরিচালক (মেরিন) ড. মো. আব্দুল্লাহ আল-মামুন এবং ফিশনেট প্রকল্পের প্রতিনিধি আরিফুজ্জামান কারিগরি উপস্থাপনা করেন। তারা সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, টেকসই মৎস্য ব্যবস্থাপনা এবং সমুদ্রভিত্তিক উন্নয়নের সম্ভাবনা তুলে ধরেন।

আলোচনায় অংশগ্রহণকারী বিশেষজ্ঞরা সামুদ্রিক গবেষণা জোরদার, সমুদ্র পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা উন্নয়ন, গভীর সমুদ্রের সম্পদ অনুসন্ধান, সামুদ্রিক দূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং নীল অর্থনীতির বিকাশে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সভাপতির বক্তব্যে ড. মো. খালেদ কনক বলেন, দেশের সামুদ্রিক সম্পদের টেকসই ব্যবহার নিশ্চিত করতে বিজ্ঞানভিত্তিক সিদ্ধান্ত, গবেষণা সম্প্রসারণ এবং বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সহযোগিতা আরও বাড়ানো প্রয়োজন।

তিনি শিক্ষার্থীদের জন্য পরিচালিত সামুদ্রিক ইন্টার্নশিপ কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং সমুদ্রসম্পদ ব্যবস্থাপনায় তরুণ গবেষকদের সক্রিয় অংশগ্রহণের আহ্বান জানান। পাশাপাশি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ ও উৎপাদনশীল সামুদ্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।

কর্মশালার সার্বিক সহযোগিতায় ছিল ফিশনেট প্রকল্প।

এএন