হজ কার্যক্রমে প্রথম ধাপে অনুমতি পেলো ৩৫৭ এজেন্সি

আমার সংবাদ ডেস্ক প্রকাশিত: জুলাই ২০, ২০২৬, ০৩:৫৩ পিএম
হজ কার্যক্রমে প্রথম ধাপে অনুমতি পেলো ৩৫৭ এজেন্সি

২০২৭ সালের হজ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রথম ধাপে ৩৫৭টি হজ এজেন্সিকে অনুমোদন দিয়েছে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়। তবে এ অনুমোদনের সঙ্গে একাধিক বাধ্যতামূলক শর্তও আরোপ করা হয়েছে। শর্ত লঙ্ঘন করলে সংশ্লিষ্ট এজেন্সির বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।

রোববার (১৯ জুলাই) প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে অনুমোদন পাওয়া এজেন্সিগুলোর তালিকা প্রকাশ করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, তালিকাভুক্ত কোনো এজেন্সি যৌক্তিক কারণ ছাড়া ২০২৭ সালের হজ মৌসুমে হজযাত্রী নিবন্ধন (প্রাক-নিবন্ধন নয়) না করলে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে নিবন্ধন শুরুর আগে যোগ্য এজেন্সিগুলোকে পারস্পরিক সমন্বয়ের মাধ্যমে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গ্রুপ (অ্যালায়েন্স) গঠন করতে হবে।

সৌদি সরকারের নির্ধারিত ন্যূনতম হজযাত্রীর কোটা কোনো এজেন্সি এককভাবে বা জোটগতভাবে পূরণ করতে পারলে সেই এজেন্সি বা লিড এজেন্সিই হজযাত্রী সৌদি আরবে পাঠানোর সুযোগ পাবে।

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রতিটি এজেন্সিকে ই-হজ সিস্টেমে অনুমোদিত প্যাকেজ নির্ধারণ করে হজযাত্রী নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে। ওই প্যাকেজই হজযাত্রী ও এজেন্সির মধ্যকার চুক্তিপত্র হিসেবে গণ্য হবে। প্যাকেজে সৌদি আরবে প্রদেয় সেবা, অবস্থানকাল, হোটেলের অবস্থান, দূরত্ব এবং প্যাকেজের মূল্য স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক।

এ ছাড়া প্রতিটি এজেন্সিকে ন্যূনতম ৪৪ জন হজযাত্রী নিবন্ধন করতে হবে। এ সংখ্যক হজযাত্রী নিবন্ধিত হলে একজন হজ গাইড নিয়োগের সুযোগ মিলবে। কোনো এজেন্সি এ সংখ্যা পূরণ করতে না পারলে লিড এজেন্সির আওতায় অন্য এজেন্সিতে হজযাত্রী স্থানান্তরের মাধ্যমে তাদের হজ পালনের ব্যবস্থা করতে হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, প্রতি ৪৪ জন হজযাত্রীর জন্য একজন আরবি ভাষায় দক্ষ, তথ্যপ্রযুক্তিতে পারদর্শী এবং হজ ব্যবস্থাপনায় অভিজ্ঞ হজ গাইড নিয়োগ বাধ্যতামূলক। ই-হজ সিস্টেমে গাইড যুক্ত করার সময় তার পাসপোর্ট এবং পূর্ববর্তী হজ পরিচালনার তথ্যও দিতে হবে।

এ ছাড়া অনিবন্ধিত কোনো ব্যক্তিকে হজযাত্রী হিসেবে সৌদি আরবে পাঠানো যাবে না। এ ধরনের অনিয়মে জড়িত কোনো এজেন্সির লাইসেন্স কারণ দর্শানোর সুযোগ ছাড়াই বাতিলসহ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, যোগ্য তালিকা প্রকাশের পর কোনো এজেন্সির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাদের নামও তালিকা থেকে বাতিল করা হবে। অনুমোদিত এজেন্সিগুলোকে জুন ২০২৭ পর্যন্ত লাইসেন্স নবায়ন করে বৈধতা বজায় রাখতে হবে। যেসব এজেন্সির লাইসেন্স আগামী জুনের মধ্যে মেয়াদোত্তীর্ণ হবে, তাদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নবায়নের আবেদন করতে হবে।

এ ছাড়া হালনাগাদ হজ লাইসেন্স, ট্রাভেল লাইসেন্স, ট্রেড লাইসেন্স এবং আয়কর সনদ জমা দিয়ে ঢাকা হজ অফিসের পরিচালকের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করাও বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। যোগ্য তালিকার বাইরে থাকা কোনো এজেন্সি আপাতত প্রাক-নিবন্ধন কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে না। পরবর্তী সময়ে যাচাই-বাছাই শেষে যোগ্য বিবেচিত হলে তাদের কার্যক্রম চালুর সুযোগ দেওয়া হবে।

এম জি